ads

মঙ্গলবার , ২২ এপ্রিল ২০১৪ | ৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

দুই কোটি টাকা উত্তোলন : রাবিতে ২ বছরেও মেলেনি ডিজিটাল পরিচয়পত্র

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
এপ্রিল ২২, ২০১৪ ৭:০১ অপরাহ্ণ
দুই কোটি টাকা উত্তোলন : রাবিতে ২ বছরেও মেলেনি ডিজিটাল পরিচয়পত্র

ওবাযদুল ইসলাম রবি, রাজশাহী  : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাশ-পরীক্ষা, আবাসিক হল, গ্রন্থাগার, কম্পিউটার সেন্টারসহ বিভিন্ন স্থানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শনাক্তকরণ কাজে ব্যবহৃত ‘ডিজিটাল পরিচয়পত্র’ দেওয়ার কথা থাকলেও গত দুই বছরেও তা দেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। প্রত্যেক বিভাগে ভর্তির সময় এই পরিচয়পত্রের জন্য ২৫ হাজার শিক্ষার্থীর থেকে ৪০০ টাকা হারে দুই বছরে মোট দুই কোটি টাকা উত্তোলন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। টাকা নেয়ার পরও পরিচয়পত্র না পাওয়ায় ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০১২ সালের ১৩ মে তৎকালীন উপাচার্য এম আব্দুস সোবহান বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ডিজিটাল পরিচয়পত্র বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের তৎকালীন বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী ইয়াসেফ উসমান । এতে প্রাথমিক ভাবে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও  কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ৫০০ জনকে এ পরিচয়পত্র প্রদান করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সেই আশার বাণী কথাতেই থেমে গেছে। ওই অনুষ্ঠানের উদ্বোধনের  জন্য কয়েকজন শিক্ষার্থীদের হাতে ডিজিটাল পরিচয়পত্র দেয়া হয়। এদিকে বর্তমান প্রশাসন ১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের হাতে আবারও সেই পরিচয়পত্র দেয়ার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করে। এ জন্য ২০১৩ সাল থেকেই বর্তমান প্রশাসন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত ২৫ হাজার শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৪০০ টাকা হারে দুই বছরে অন্তত ২ কোটি টাকা উত্তোলন করেছে। ২৫ হাজার শিক্ষার্থীদের থেকে দুই বছর ধরে এই টাকা নেয়া হলেও পরিচয়পত্র পায়নি কেউই। এরপর আবারও পরিচয়পত্র দেয়ার জন্য এ বছরের ফেব্রুয়ারী থেকে এর প্রস্তুতভার দেওয়া হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক  মো. খাদেমুল ইসলাম মোল্লাকে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছু একজন কর্মকর্তা বলেন, ডিজিটাল পরিচয় পত্র প্রদানের কথা বলে আমাদের বেতন থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে। এর পর এক বছর অতিবাহিত হওয়ার পরেও আজ পর্যন্ত আমি সেই পরিচয়পত্র হাতে পাইনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টর্সে ভর্তি হওয়া একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, আমরা ২০১৩ সাল থেকে ডিজিটাল পরিচয়পত্রের জন্য চতুর্থ বর্ষে ৪০০ টাকা দিয়েছি।  এবার মাস্টার্সে ভর্তির সময়ও ৪০০ টাকা দিতে হয়েছে। মোট ৮০০ টাকা দিয়েও আমরা আইডি কার্ড হাতে পাইনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক মো. খাদেমুল ইসলাম মোল্লা বলেন, নতুনভাবে ফেব্রুয়ারীতে আমরা পরিচয়পত্রের জন্য কাজ শুরু করেছি। এরই মধ্যে সকল শিক্ষার্থীর ডাটা সংরক্ষণের কাজ শুরু করে দিয়েছি। আশা করছি খুব তারা তারি শিক্ষার্থীদের হাতে এই পরিচয়পত্র পৌছে দিতে পারবো।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য চৌধুরী সারওয়ার জাহান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব শিক্ষার্থী চতুর্থ বর্ষে মাস্টার্সে টাকা দিয়েছেন তারা দুই বর্ষেরই পরিচয়পত্র পাবেন। শিক্ষার্থীদের এ দুটি পরিচয়পত্র দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সার্টিফিকেট উত্তোলনের জন্য ব্যবহার করতে হবে।

Need Ads
error: কপি হবে না!