অপূর্ব লাল সরকার, আগৈলঝাড়া (বরিশাল) : বরিশালের আগৈলঝাড়ায় গম খেতে মাটির নিচে শিশুকে পুতে রাখার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হযেছে। রাতে শিশুটির গর্ভধারিণী মা অসুস্থ মাহমুদাকে নাঠৈ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।জানা গেছে, পার্শ্ববর্তী কালকিনি উপজেলা কাজী বাকাই ইউনিয়নের ভাউতলী গ্রামের ট্রাকচালক আবুল ঢালীর মেয়ে ও স্থানীয় মেদাকুল স্কুলের ৮ম শ্রেণী পড়–য়া মেয়ে মাহমুদা ২০১৩ সালে রোজার সময় তার বড় দুলাভাই রতন মিয়ার ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় বেড়াতে যায়। ওইসময় রতনের ছোটভাই শামীম শেখ মাহমুদাকে ফুঁসলিয়ে দৈহিকভাবে ভোগ করে। এর ফলে মাহমুদা অন্ত:স্বত্বা হয়ে পড়ে। পরে সন্তানের পিতৃ পরিচয় দেয়ার জন্য মাহমুদা শামীমকে চাপ প্রয়োগ করলেও সে তাকে বিয়ে করতে অস্বীকার করে। লোক জানাজানির ভয়ে মাহমুদা গত ১৭ এপ্রিল তার মা মনোয়ারা বেগমকে সাথে নিয়ে সন্তান প্রসবের জন্য রাংতা গ্রামে তাদের আত্মীয় শাহআলম মোল্লার বাড়িতে আসে। শেষরাতে সন্তান প্রসবের পরই নবজাতক কন্যা শিশুকে হত্যার জন্য রাংতা-চেঙ্গুটিয়া রাস্তার পার্শ্বে মোবাশ্বের বেপারীর গম ক্ষেতে জীবন্ত মাটি চাপা দেয় অবৈধ গর্ভধারিণী মাহমুদা ও তার মা মনোয়ারা বেগম। এঘটনায় পুলিশের এসআই শহীদ বাদী হয়ে শনিবার রাতে একটি মামলা দায়ের করেন। পরে মাহমুদার মা মনোয়ারা বেগমকে পুলিশ তার নিজবাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। রাতেই শিশুটির গর্ভধারিণী মা মাহমুদাকে নাঠৈ থেকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার গ্রেফতারকৃত মামলার আসামী মনোয়ারা বেগম ও ২২ ধারায় জবানবন্দি প্রদানের জন্য মাহমুদাকেও বরিশাল আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।




