ads

রবিবার , ২০ এপ্রিল ২০১৪ | ১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

এক মাসের মধ্যে পুটিয়া বাজারের ইজারা বন্দোবস্ত সর্বোচ্চ দরদাতার হাতে হস্তান্তরের হাইকোর্টের নির্দেশ

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
এপ্রিল ২০, ২০১৪ ১২:৪৯ অপরাহ্ণ
এক মাসের মধ্যে পুটিয়া বাজারের ইজারা বন্দোবস্ত সর্বোচ্চ দরদাতার হাতে হস্তান্তরের হাইকোর্টের নির্দেশ

এম,লুত্ফর রহমান, নরসিংদী : আগামী ১ মাসের মধ্যে দেশের বিখ্যাত গরুর হাট পুটিয়া বাজারের ইজারা বন্দোবস্ত সর্বোচ্চ দরদাতা জহিরুল হকের নিকট হস্তান্তরের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সর্বোচ্চ দরদাতা হওয়া সত্বেও শিবপুরের ইউএনও রাজনৈতিক প্রভাব ও দুর্নীতির আশ্রয়ে জহিরুল হককে ইজারা না দিয়ে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে ইজারা বন্দোবস্ত প্রদান করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে সর্বোচ্চ দরদাতা জহিরুল হকের দায়েরকৃত রিট পিটিশনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট শিবপুরের ইউএনওকে এই নির্দেশ প্রদান করেছেন।

Shamol Bangla Ads

জানা গেছে, নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার পুটিয়ার বাজার দেশের একটি বিখ্যাত গরুর হাট। প্রতিবছরই নগদ নারায়নের জোরে এ বাজারের ইজারা বন্দোবস্ত নেয় খোরশেদ সরকার ও তার ভাই সাইদুল ইসলাম সরকার। খোরশেদ সরকার বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত এবং তার ভাই সাইদুল ইসলাম সরকার আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সংশ্লিষ্ট। বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে রাজনৈতিক প্রভাব ও নগদ নারায়নের জোরে খোরশেদ সরকার বাজারের ইজারা বন্দোবস্তা নেয় এবং আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে খোরশেদ সরকার সু-কৌশলে একই কায়দায় ইজারা বন্দোবস্ত নেয় তার ভাই সাইদুল ইসলাম সরকারের নামে। গত ১৮ মার্চ শিবপুর উপজেলা প্রশাসন ৬৯ লাখ ৫০ হাজার সরকারী মূল্য নির্ধারন করে পুটিয়া বাজারের টেন্ডার আহবান করলে বাজার সংলগ্ন কামারগাও গ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ জহিরুল হক মোল্লা, আওয়ামীলীগ নেতা সাইদুল ইসলাম সরকার এবং রহিম উদ্দিন মোল্লা নামে ৩ জন দরদাতা তাদের দরপত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে জহিরুল হক মোল্লা ৭১ লাখ টাকা দর নির্ধারন করে টেন্ডার দাখিল করে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে তালিকা ভূক্ত হন। পক্ষান্তরে সাইদুল ইসলাম সরকার অতীতের মত অসৎ উদ্দেশ্যে গোপন আতাঁতের মাধ্যমে ইজারা বন্দোবস্ত নেয়ার জন্য দাখিলকৃত দরপত্রে কোন টাকার পরিমান উল্লেখ করেননি। ঘটনাটি জানাজানি হয়ে গেলে সংগত কারনেই তার টেন্ডার বাতিল হয়ে যায়। আইন ও নিয়ম অনুযায়ী বাজারের ইজারা বন্দোবস্তা দেয়ার কথা ব্যবসায়ী জহিরুল হককে। কিন্তু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরা বেগম রহস্যজনক কারনে সর্বোচ্চ দরদাতা জহিরুল হককে কার্যাদেশ না দিয়ে পূর্ববর্তী বছরের ইজারাদার আওয়ামী লীগ নেতা সাইদুল ইসলাম সরকারকে ইজারা বন্দোবস্তা দিয়ে দেন। এ ব্যাপারে ব্যবসায়ী জহিরুল হক, ভূমি মন্ত্রনালয়ের সচিব, ঢাকা বিভাগের কমিশনার, নরসিংদী জেলা প্রশাসক এবং শিবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, শিবপুরের সহকারী কমিশনার ভূমিসহ ৬ জনকে বিবাদী করে হাইকোর্টে একটি রিটপিটিশন দাখিল করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি মোঃ হাবিবুল গণি সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ জহিরুল হকের আইনজীবি এড. এইচএম কামরুজ্জামান ও এড. কাজী মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীনের বক্তব্য সুনানী শেষে আগামী ১ মাসের মধ্যে পুটিয়া বাজারের ইজারা বন্দোবস্ত সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে জহিরুল হককে প্রদান করার নির্দেশনা প্রদান করেন। বিজ্ঞ বিচারপতিদ্বয় বলেন, আমরা রিট পিটিশনের পরিপ্রেক্ষিতে কোনো রুল ইস্যু করতে ইচ্ছুক নই। আমরা সরাসরি শিবপুরের ইউএনওকে সর্বোচ্চ দরদাতা জহিরুল হকের আবেদন অনুযায়ী পুটিয়া বাজারের ইজারা বন্দোবস্ত সর্বোচ্চ দরদাতা হাতে হস্তান্তরের নির্দেশনা প্রদান করছি।

Need Ads
error: কপি হবে না!