মশিউর রহমান পিংকু, ভোলা : ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ও বানিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহামেদ বলেছেন, অচিরেই ভোলার নদী ভাঙ্গন রোধসহ বিদ্যুৎ সমস্য সমাধান হবে। বর্ষা শুরুর আগেই ভোলায় বেড়ী বাঁধ নির্মানের কাজ শেষ হবে। ভাঙ্গন রোধে টাকার বরাদ্ধ হয়ে গেছে।

নেদারল্যান্ডের ওরিয়র প্রকল্পের কাজ শেষ হলে চির দিরে জন্য ভোলার নদী ভাঙ্গন রোধ হবে। মন্ত্রী এ সময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের উদ্দ্যেশে বলেন এ বছর যেন আর জোয়ারের পানিতে মানুষ কষ্ট না পায়। তাই দ্রুত বাধ নির্মানের কাজ শেষ করার জন্য নির্দেশ দেন। আগামী ২৫ এপ্রিলের মধ্যে বিকল হওয়ায় গ্যাস ভিত্তিক রেন্টাল প্লান্ট চালু হবে।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১ টায় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আবদুল মমিন টুলুর সভাপতিত্বে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক কর্মী সভায় তোফায়েল আহমেদ এসব কথা বলেন। এসময় স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে নব নির্বাচিত সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোশারেফ হোসেন মন্ত্রীকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। দীর্ঘ কয়েক মাস পর বানিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহামেদ শুক্রবার সকালে এক দিনের সংক্ষিপ্ত সফরে হেলিকপ্টার যোগে ভোলা সফরে আসেন।
ভোলার মেঘনা নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে নেদারল্যান্ডের ওরিও টিম
ভোলা সদর ও দৌলতখান উপজেলা নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন নেদারল্যান্ডে ওরিও টিমের প্রজেক্ট এ্যাডভাইজর মিসেস কিম ও পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের সচিব ড. জাফর আহমেদ।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যান্ত সদর ও দৌলতখান উপজেলার ভাঙন এলাকা ঘুরে দেখে পরিদর্শন টিম । এ সময় তাদের সাথে ছিলেন, মহা পরিচালক মো: শহিদুর রহমান, দক্ষিনাঞ্চলীয় উপ-পরিচালক আরী আকবর, ভোলার জেলা প্রশাসক মো: সেলিম রেজা,পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান ও জেলা পাউবো কর্মকর্তা আব্দুল হেকিম।
উল্লেখ্য, ভাঙ্গন রোধে বড় ধরনে প্রকল্প বাস্তবায়ন না হওয়ায় দ্বীপজেলা ভোলা ক্রমেই রাক্ষুসে মেঘনার গ্রাসে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় মেঘনার ভাঙ্গনের হাত থেকে প্রকৃতিক গ্যাস সমৃদ্ধ সম্ভাবনাময় দ্বীপ ভোলাকে রক্ষায় নেদারল্যান্ড সরকার এগিয়ে এসেছে। তারা ভাঙ্গন রোধে প্রায় ৫ শ’ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প গ্রহন করে বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে।
ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিবার্হী কর্মকর্তারা জানান, নেদারল্যান্ডের ওরিয় প্রকল্পের অধিনে ভোলায় প্রায় সাড়ে ১৫ কিলোমিটার বøক বাঁধ নিমার্ন করা হবে।
আগামী বছর একাজের শুরু হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন।
২০১৫ সালে কাজ শুরু হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন। প্রায় দুই বছর আগে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে নেদারল্যান্ড সরকারের এ বিষয়ে একটি চুক্তি হয়।




