চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি : চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলার বাঁকা গ্রামের মিল পাড়ার লিয়াকত আলীর মেয়ে সোহাগী খাতুন (১৪) আলীপুর হাই স্কুলের ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী। তার বাবা বুধবার মহেশপুর থানার জলিলপুর গ্রামের আব্দুল রশিদের পুত্র সুমনের (১৫) সাথে বিয়ে সম্পন্ন করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মেয়ের পিতা লিয়াকত আলী সাংবাদিকদের নিকট তার মেয়ে সোহাগীর জন্মনিবন্ধন সনদ প্রেরণ করে । সাংবাদিকরা জন্মনিবন্ধন সনদে দেখেন, ৪ নম্বর বাঁকা ইউনিয়ন থেকে জন্মনিবন্ধন করা হয়েছে। এ সনদ ২০০৭ সালের ১৭ ডিসেম্বর ইস্যু করা হয়েছে। জামায়াতের নির্বাচিত চেয়ারম্যান বাবলুর রহমানের নামে ইস্যু করা হয়েছে।
চেয়ারম্যান বাবলুর রহমানের নিকট এ সনদ সর্ম্পকে জানতে গেলে তিনি জানান, তার সচিব শাহীন বাবু এ জন্মনিবন্ধন প্রদান করেননি। সোহাগীর বিয়ের
দিনে জন্মনিবন্ধন সনদ আর তাহার বাঁকা ইউনিয়নের নিবন্ধন কৃত জন্মসনদের পরিচয়পত্র নম্বরের কোন মিল নেই এবং তিনি স্বাক্ষর করেননি। চেয়ারম্যান বাবলুর রহমান আরোও বলেন, কোন এক চক্র আমার স্বাক্ষর ও সীল নকল করে এ জন্ম সনদ দিয়েছে। তিনি এ ভুয়া ও জাল জন্মনিবন্ধন সনদ চক্রকারীদের
অবিলম্বে সনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
এই বিষয়ে জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম ইকবাল আহম্মেদ জানান, বুধবার বাল্যবিয়ের খবর পেয়ে পুলিশ তদন্ত করেন। ঘটনার সত্যতা পেয়ে থানার এসআই সুব্রত তৎক্ষনিক বাল্যবিয়ে বন্ধ করে আসেন। এই ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত জালচক্রকে আটক করে করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।




