ads

বৃহস্পতিবার , ১০ এপ্রিল ২০১৪ | ১লা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

৫০ হাজার মানুষের দুর্ভোগ : কেশবপুর পৌরসভার মেয়রের স্বজনপ্রীতির কারণে ব্রিজের নির্মাণ কাজ স্থগিত

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
এপ্রিল ১০, ২০১৪ ৬:৩৬ অপরাহ্ণ

Shamsur Rahman- 09-04-14কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি : যশোরের কেশবপুরে শহরের চারআনি বাজারের পাশে হরিহর নদীর ওপর ব্রিজটি দীর্ঘ ২ যুগেও নির্মাণ না হওয়ায় স্কুল কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রীসহ ১০ গ্রামের ৫০ হাজার মানুষকে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এলাকাবাসির দাবীর প্রেক্ষিতে ওই স্থানে ব্রিজ নির্মাণে অর্থ বরাদ্দ হলেও পৌরসভা মেয়রের স্বেচ্ছাচারিতা ও স্বজনপ্রীতির কারণে ঠিকাদারের কার্যাদেশ বাতিলসহ উন্নয়ন তহবিলে অর্থ ফেরৎ গেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

Shamol Bangla Ads

জানাগেছে, কেশবপুর পৌরসভার ৯নং বালিয়াডাঙ্গা ওয়ার্ডটি শহরের হরিহর নদীর পূর্বপাশে অবস্থিত। ওই স্থানে ব্রিজ না থাকার কারণে বালিয়াডাঙ্গা, সুজাপুর, মাগুরখালি, কন্দর্পপুর মাগুরাডাঙ্গা, ঘাঘা, খতিয়াখালিসহ ১০ গ্রামের মানুষকে ১৯৯০ সাল থেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের পুল দিয়ে পারাপার হতে হয়। তাছাড়া সপ্তাহের ৩দিন হাটবারে চারআনি বাজারে ধানহাট, কাঁচামালের পাইকারী হাট ও বিভিন্ন বীজের হাট বসার কারণে বাজারটির গুরুত্ব অপরিসীম। এলাকার কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাধ্য হয়ে মাথায় করে ওই বাঁশের পুলের ওপর দিয়ে পার হয়ে এ বাজারে আনতে গিয়ে অনেকেই দুর্ঘটনার শিকার হন। ফলে ব্রিজ না থাকায় অনেক কৃষককে ভারী পণ্য প্রায় ৪ কিলোমিটার ঘুরে কেশবপুর শহরে আনতে হয়। এলাকার বাসিন্দা ইয়াছিন আলী ও আব্দুল হাকিম জানান, পৌরসভা গঠনের পর বাঁশের সাঁকোর পরিবর্তে ওই স্থানে বাঁশের পুল নির্মাণ করা হয়। কিন্তু পুলটি অপরিকল্পিতভাবে নির্মাণ করার কারণে ভ্যানগাড়ি, মোটর সাইকেল চলাচল করতে পারে না। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রী, হাটুরে পথচারীদের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হয়। প্রতিবার ভোটের সময় প্রার্থীরা ওই স্থানে ব্রিজ নির্মাণের আশ্বাস দিয়ে জনগণের ভোটের পাস করার পর আর ফিরে তাকায় না। এলাকাবাসীর দাবীর প্রেক্ষিতে বর্তমান সরকার ২০১২ সালে ওই স্থানে ব্রিজ নির্মাণের জন্য ১১ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়। ব্রিজটি নির্মাণের জন্য যশোরের বকুল এন্টার প্রাইজের সত্ত¡াধিকারী বাবুর আলী কাজটি পান। কিন্তু বাবুর আলী কমিশনে কাজটি বিক্রি করে দেন কেশবপুরের একজন সাব ঠিকাদার ও কাউন্সিলরের কাছে। কার্যাদেশ অনুযায়ী রড, পাথর, বালু, সিমেন্টসহ সমুদয় নির্মাণ সামগ্রী সেখানে আনা হলেও পরবর্তীতে ওই কার্যাদেশ বাতিল করেন মেয়র। নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক একজন কাউন্সিলর জানান, কাজটি মেয়রের ভাইকে দেয়ার সুপারিশ ছিল। না দেয়ায় কার্যাদেশ বাতিল করা হয়। ঠিকাদার বাবুর আলী জানান, কাজটি বন্ধ করা হলেও এখনও তিনি জামানতের টাকা ফেরৎ পাননি। তিনি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। মেয়রের স্বজনপ্রীতির কারণে পৌরসভার উন্নয়ন কর্মকান্ড থেমে গেছে।
এব্যাপারে মেয়র আব্দুস সামাদ জানান, পানির জন্য ঠিকাদার কাজ করতে না পারায় চারআনি বাজারের পাশে হরিহর নদীর ওপর ব্রিজ নির্মাণের কার্যাদেশ বাতিল করা হয়েছে। পরবর্তীতে ওই স্থানে আরও উন্নত মানের ব্রিজ নির্মাণ করা হবে।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!