আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি : কবিরাজী চিকিৎসার আড়ালে যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষনের অভিযোগে বগুড়ার আদমদীঘির ডহরপুরস্থ রওজাতুচ্ছুন্নাাহ বালিকা কওমী মাদরাসার পরিচালক সহ ২ জনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে। শুক্রবার রাতে ভিকটিম গৃহবধুর মা আদমদীঘির সালগ্রামের সীমা বেগম বাদী হয়ে এই মামলা দায়ের করেন। পুলিশ জানান মামলার এজাহারভুক্ত আসামী মাদরাসার পরিচালক ও কোমারপুর গ্রামের হাফেজ গোলাম রব্বানী (৫২) ও ডালম্বা গ্রামের চেরুর ছেলে নজরুল ইসলাম (৩৫)। হাফেজ গোলাম রব্বানী ইসলামী অান্দোলন সংগঠনের আদমদীঘি উপজেলা কমিটির সভাপতি বলে জানা গেছে।
মামলা সূত্রে জানাযায়, উপজেলার দাড়িকুড়ি গ্রামের ওই গৃহবধুকে সালগ্রাম তার পিত্রালয়ে কবিরাজী চিকিৎসার নামে হাফেজ আব্দুল গোফ্ফার অপর আসামী নজরুল ইসলামের সহযোগীতায় পানি পড়া সহ ঝাঁড় ফুকেরের নামে প্রায় শারীরিক যৌন হয়রানি ও সময় অসময়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষন কাজে লিপ্ত হতো। শুক্রবার দুপুরে উক্ত গৃহবধু বিয়ের দাবীতে হাফেজ গোফ্ফারের বাসায় অবস্থান নেয়। এ সময় এলাকায় তোলপাড়ের সৃষ্টি হলে স্থানীয় জনতা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ সন্ধ্যায় ভিকটিমকে উদ্ধার করে থানায় নেয়। ২৯ মার্চ শনিবার সকালে পুুুুলিশ ভিকটিমকে ডাক্তারী পরীক্ষা ও জবানবন্দি গ্রহনের জন্য বগুড়ায় প্রেরন করা হয়েছে। উল্লেখ ৯ ফেব্রুয়ারী রাতে ওই নারীকে মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় পুলিশ নসরতপুর কলেজ থেকে উদ্ধার করে তার পরিবারের নিকট হস্তান্তর করেন। ধর্ষন ঘটনাটি রহস্যজনক কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে থানার অফিসার ইনচার্জ নজরুল ইসলাম জানান।




