রামগঞ্জ (লক্ষীপুর) প্রতিনিধিঃ রামগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ১৯দলের সমর্থিত ঘোড়া প্রতীকের চেয়ারম্যান প্র্রার্থী ভিপি আবদুর রহিমের পৌর সোনাপুরস্থ ভাড়ায় বাসা বুধবার রাতে প্রতিপক্ষের সর্মকেরা গুলিবর্ষণ ও বোমা হামলা চালিয়েছে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিসহ ঘোড়া প্রতিকের কর্মী সুমন হোসেন (২০) ও ফারুক হোসেন (২৫) গুরুতর আহত হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছার পুর্বে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে প্রতিপক্ষের সমর্থকদের গুলিবর্ষণ,বোমা হামলা,নেতাকর্মীদের মারধর,পুলিশি হয়রানী ও গ্রেফতারের প্রতিবাদের সংবাদ সম্মেলন করেন চেয়ারম্যান প্রার্থী ভিপি আবদুর রহিম । সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক এমপি নাজিম উদ্দিন আহম্মেদ, এলডিপির কেন্দ্র যুগ্ন মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম, বিএনপি নেতা ভিপি মাহবুবুর রহমান, এড. তোফাজ্জল হোসেন বাচ্চু, গিয়াস উদ্দিন পলাশ, আতিকুর রহমান রিপন, মিজানুর রহমান, আব্দুর রহমান, মোঃ খোকন, মোঃ বাকি বিল্লাহ, কামাল হোসেন, আবুল কালাম, আব্দুর মান্নান, আবুল হাসেম, মোঃ আজাদ, জহিরুল ইসলাম ও ইউসুফ গাজী প্রমুখ।
লিখিত বক্তব্যে ভিপি আবদুর রহিম জানান, আওয়ামী লীগ-সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থক ২০/২৫ জনের গ্রুপ বুধবার রাত পৌনে ১১টার দিকে ভাড়া বাসায় গুলিবর্ষণ ও বোমা হামলা করে। একই গ্রুপ এর পুর্বে সাবেক এমপি নাজিম উদ্দিনের ভাদুরস্থ বাস ভবনে বোমা হামলা ও গুলি বর্ষণ, সাধারণ ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন,অস্ত্র মহড়া দিয়েছে। কেন্দ্রীয় কমিটির এলডিপির যুগ্ন সাধারন সম্পাদক শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, আ‘লীগের সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে বর্তমান সাংসদ তরিকত ফেডারেশনের মহাসচিব লায়ন এম,এ, আউয়াল নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করছেন। এমপি সভা,সমাবেশ ডেকে ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে প্রার্থীর পক্ষে প্রচারনা করছেন। এমপির প্রভাবের কারণেই সরকার দলীয় ক্যাডাররা কোনো কিছুর তোয়াক্কা করছেন না। উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক এমপি নাজিম উদ্দিন আহমেদ বলেন, ১৯ দলের র্শীষ স্থানীয় নেতারা প্রার্থী নিয়ে চোখের ঘুম হারাম করে ভোটারদের ধারস্থ হচ্ছে আর সরকার দলের প্রার্থীরা ভোটারদের কাছে না গিয়ে অস্ত্র মহড়া,গুলি বর্ষন,বোমা হামলা,১৯ দলের নেতাকর্মীদের মারধর,প্রচার মাইক ভাংচুর,পুলিশ দিয়ে হয়রানী ও গ্রেফতার চালিয়ে যাচ্ছে। এসব ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ ও নিরাপত্তা চেয়েও সাধারণ ডাইরি করেও কোন আইনী সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে না। শান্তিপূর্ন নির্বাচন করতে হলে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদেরকে গ্রেফতার ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং সেনা মোতায়েন করা একান্ত জরুরী। আ.লীগের সমর্থিত হেলিকপ্টার প্রতিকের চেয়ারম্যাান প্রার্থী আ ক ম রুহুল আমিন বোমা হামলা,গুলি বর্ষন ও মারধরে ঘটনাগুলোর সত্যতা স্বীকার করে বলেন,ঘটনাগুলো আমার সমর্থক কিংবা সরকার দলের নেতাকর্মীরা নয় ১৯ দলের প্রার্থীর সমর্থকেরা ঘটনাগুলোর জম্ম দিয়ে পায়দা হাসিল করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লোকমান হোসেন বলেন, ১৯ দলের সমর্থিত প্রার্থীর বাসায় হামলার ঘটনা শুনার সাথে সাথেই পুলিশ পাটিয়েছি। পুলিশ যাওয়ার পুর্বেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এর পুর্বে প্রার্থী নিরাপত্তা চেয়ে থানায় ৫টি অভিযোগ করেছেন।
রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা কাজী মাহবুবুল আলম জানান, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণের জন্য সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ভোটারদের শঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।




