নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ নাগর নদীর বগুড়ার আদমদীঘি এলাকায় বালু উত্তোলনের মহোৎসব চলছে। প্রশাসনের নিরব ভূমিকায় জনমনে নানা ধরনের প্রশ্ন উঠেছে। বগুড়ার দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী নাগর নদী থেকে দীর্ঘদিন যাবৎ বালুদস্যুরা বালু উত্তোলন করে তা বিক্রয় আসছে। এতে ভূ-গর্ভে বালু-পানি শূণ্যতা সৃষ্টি হচ্ছে। যার কারণে প্রাকৃতিক বিপর্যয় দেখা দেয়। বালুদস্যুরা সরকারী নিয়মনীতি উপেক্ষা করে অবাদে নাগর নদী থেকে ব্যাপক হারে বালু উত্তোলন করে ব্যবসা চালিয়ে আসছে। ওইসব বালুদস্যুদের কারবারের কেউ প্রতিবাদ কারার সাহস পায় না। প্রতিবাদ করতে গেলে তাকে মারমুখির কবলে পড়তে হয়। নাগর নদীর নন্দীগ্রাম, আদমদীঘি ও রানীনগর উপজেলা এলাকায় ব্যাপক হারে বালু উত্তোলন হচ্ছে। নন্দীগ্রাম উপজেলার বাগদহ গ্রামের পার্শ্বে আদমদীঘি উপজেলার ঝাঁকর মৌজার কালিতলা নামকস্থানে চাপাপুর ও কুন্দগ্রামের প্রভাবশালী বালুদস্যুরা নাগর নদীতে ৪টি শ্যালো মেশিন সেট করে বেপরোয়া ভাবে বালু উত্তোলন করে তা বিক্রয় করছে। সেখানে প্রতিদিন ৩৫-৪০ ট্রাক বালু উত্তোলন হয়। এতে তারা ব্যাপক ভাবে লাভবান হলেও ভূ-গর্ভের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। সে কারণে ভূমি ধ্বসের ঘটনা ঘটছে এবং আরো ঘটতে পারে এমন আশঙ্কা রয়েছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন। ওই বিষয়ে আদমদীঘি উপজেলার নির্বাহী অফিসার রুহুল আমিনের সাথে ফোনে কথা বললে তিনি বলেন, ওই বিষয়ে কোন অভিযোগ পায়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নাগর নদীর নন্দীগ্রাম এলাকায় ইতিমধ্যই পুলিশ বালু উত্তোলন বন্ধ করে দিয়েছে। অথচ আদমদীঘি এলাকায় বালুদস্যুরা এখনও বীরদর্পে বালু উত্তোলন করে বালুর ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। যা দেখার কেউ নেই?




