ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ দোয়ারাবাজারে স্বামী-শাশুড়ির নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ রেহেনা বেগম (২০) সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। বিয়ের ৫মাসের মধ্যেই স্বামী তার স্ত্রী রেহেনা বেগমকে গলায় ফাঁস লাগিয়ে হত্যার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে। এ ঘটনাটি দোহালিয়া ইউনিয়নের রাজনপুর গ্রামে সংঘটিত হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় গ্রামের মৃত সাদক আলীর ছেলে আনফর আলী ও তার মা মধুমালা মিলে আনফর আলীর স্ত্রী রেহেনা বেগমকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে নিজ বসত ঘরে জোরপূর্বক গলায় দড়ি দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে হত্যার চেষ্টা চালায়। রেহেনা বেগম বিশ্বনাথ থানার লামাকাজি ইউনিয়নের ইসবপুর গ্রামের রাশিদ আলীর কন্যা। ৫মাস আগে আনফর আলীর সাথে তার বিয়ে হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিয়ের পর থেকেই আনফর আলী ও তার মা মধুমালা যৌতুকসহ বিভিন্ন কারনে নানাভাবে নির্যাতন করে আসছে। গত শনিবার সন্ধ্যায় তারা রেহেনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ফাঁসিতে ঝুলিয়েছিল। এ সময় তার আর্তনাদে আশপাশের লোকজন এসে তাকে রক্ষা করেছে। ঘটনার কিছুসময় পর মুমুর্ষ অবস্থায় আনফর আলী রেহেনার মামার বাড়ি ছাতক উপজেলার বাউসা গ্রামের শুকুর আলীর বাড়ির বারান্দায় রেহেনাকে রেখে পালিয়ে যায়। এ সময় ছাতক সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিব খাঁনের সহযোগিতায় রেহেনা বেগমকে প্রথমে ছাতক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এখানে তার অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়। এ ব্যাপারে রাতে ছাতক থানায় একটি জিডি করেছেন রেহেনার পিতা রাশিদ আলী।




