ads

বৃহস্পতিবার , ১৩ মার্চ ২০১৪ | ৩০শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

কুষ্টিয়া চিনিকলের ৪০ কোটি টাকার চিনি অবিক্রিত : শ্রমিকদের বেতন-ভাতা বন্ধ

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
মার্চ ১৩, ২০১৪ ৫:১৩ অপরাহ্ণ

kushtia suger millকুষ্টিয়া প্রতিনিধি : কুষ্টিয়া চিনিকলের চলতি মাড়াই মৌসুমে আখচাষীদের পাওনা ১০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। চিনি বিক্রি না হওয়াতে চাষীদের পাওনাসহ মিলের শ্রমিক-কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের ২ মাসের বেতন পরিশোধ করতে পারছে না মিল কর্তৃপক্ষ। যে কোন সময় চাষীদের পাওনার দাবীতে এলাকার আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির অবনতির আশংকা করছে এলাকাবাসী। গত দু‘মৌসুম ও বর্তমান মৌসুমে উৎপাদিত দেড় হাজার মেট্রিক টন চিনি অবিক্রিত অবস্থায় মিলের গোডাউনে পড়ে রয়েছে। এর মধ্যে বড় একটি অংশ চিনি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সব কিছু মিলিয়ে কুষ্টিয়া চিনিকল কর্তৃপক্ষ মারাত্বক চাপের মুখে রয়েছে। এদিকে, সারা দেশের সকল চিনিকলের একই রূপধারন করায় বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প সংস্থা অনেকটা নিরুপায় হয়ে পড়েছে। দেশের এই চিনি শিল্পের মারাত্বক বিপর্যয়ের জন্য সরকারকে দায়ী করছে চাষীরা। সরকারের ভ্রান্তনীতির কারনে চিনিশিল্প ক্রমান্বয়ে রুগ্ন হয়ে পড়ছে। দেশের চাষীরা দীর্ঘদিন পর যখন মিলে আখ সরবরাহের মাধ্যমে সুনজর দিতে শুরু করেছেন ঠিক সেই মুহুর্তে চাষীসহ সংশ্লিষ্ট সকল মহলের মাঝে বর্তমান অবস্থায় অশনি সংকেত বাজছে। মিল কর্তৃপক্ষ সুগার মিলের উৎপাদিত চিনি বাজারজাত করণের লক্ষে কয়েক দফা দাম কমানোর পর সর্বশেষ ৫০টাকা কেজি থেকে ৪০টাকা কেজি দর নামিয়ে এনেও চিনি বিক্রিতে কোন রকমের সুবিধা করতে পারছে না। বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে-বেসরকারী চিনিকলের ’র’ চিনি বাজারে পাওয়া যাচ্ছে ৩৬/৩৮ টাকায় সেখানে চিনিকলের উৎপাদিত চিনি ৪০টাকা দরে কেউ কিনছে না। কুষ্টিয়া চিনিকলে চলতি মাড়াই মৌসুমে প্রায় ৮০ হাজার মেট্রিক টন আখ মাড়াই করে ৫শত মেট্রিক টনের কাছাকাছি চিনি উৎপাদিত হয়েছে। উৎপাদিত এই বিপুল পরিমাণ চিনির এক কেজিও বিক্রি হয়নি বরং ২০১১-১২ ও ২০১২-১৩ মাড়াই মৌসুমের অবিক্রিত ৫ হাজার ৬২০ মেট্রিক চিনি মিলের গোডাউনে পড়ে রয়েছে। মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুদর্শন মলি­ক জানান, মিলের চাষীরা স্বপ্রনোদিত হয়ে মিলে আখ সরবরাহ করছেন। এখন অনেক আখ মাঠে রয়েছে যা মিলে সরবরাহ করবে চাষীরা। চাষীদের সহযোগিতা পাচ্ছি কিন্তু চাষীদের পাওনা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হচ্ছি। তিনি জানান, চাষীদের পাওনা সাড়ে ১০ কোটি টাকার বেশি হবে। চিনি বিক্রি না হওয়াতে চাষীদের টাকা পরিশোধ করতে পারছি না। এছাড়া মিলের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিকদের বেতন ২ মাস যাবত বন্ধ রয়েছে। চাষীরা প্রতিনিয়ত ধরণা দিচ্ছে পাওনা টাকার জন্য। বাংলাদেশ আখ চাষী কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি আক্কাস আলী জানান, আখের টাকা দিয়ে চাষীদের অনেক সমস্যার সমাধানের চিন্তা থাকে কিন্তু টাকা না পেয়ে চাষীদের মাঝে সাংঘাতিক ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে। সারা দেশে একই অবস্থা তার পরেও আমরা মিল কর্তৃপক্ষের উপর চাপ সৃষ্টি করে পাওনা ফেরতের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। কুষ্টিয়া চিনিকলে অবিক্রিত চিনির পরিমান সাড়ে ১০ মেট্রিক টনেরও বেশি। যার বাজার মুল্য টাকার অংকে প্রায় ৪০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। স্থানীয়রা জানান, বেসরকারীভাবে উৎপাদিত চিনির বাজার মুল্য কম হওয়ায় দেশী চিনি কেউ কিনছে না। আবার মন্ত্রণালয় থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত খোলা বাজারে চিনি বিক্রির উপর নিষেধাজ্ঞা থাকায় মিল কর্তৃপক্ষ খোলা বাজারে চিনি বিক্রি করতে পারছে না। তবে খুব শিঘ্রই মিলের উৎপাদিত চিনি বাজারে বিক্রির ব্যবস্থা হবে বলে অনেকে আশা করছেন।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!