শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : শরণখোলা উপজেলা নির্বাচনে তৃন মুলের বাছাই করা প্রার্থীকে বাদ দিয়ে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ চেয়ারম্যান পদে কামাল উদ্দিন আকনকে দলীয় মনোনায়ন দেয়া সংক্রান্ত একটি চিঠি নিয়ে উপজেলার সর্বত্র তোলপার সৃষ্টি হয়েছে। মনোনায়ন সংক্রান্ত এ চিঠিকে ষড়যন্ত্র ও রহস্যজনক বলে চ্যালেঞ্জ করেছে উপজেলা আওয়ামীলীগসহ স্থানীয় সংসদ সদস্য ডাঃ মোজাম্মেল হোসেন।

রবিবার দুপুরে কেন্দ্রীয় আওামীলীগের প্যাডে দপ্তর সম্পাদক ড. আব্দুস সোবাহান গোলাপ স্বাক্ষরিত লেখা একটি চিঠি উপজেলার সর্বত্র বিলি করা হয়। এতে বলা হয় আগামী ১৫ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করতে চেয়ারম্যান পদে কামাল উদ্দিন আকনকে চুড়ান্ত মনোনায়ন দেয়া হয়েছে। এদিকে, একইদিন (২মার্চ) বিকাল ৫ টায় উপজেলা আওয়ামলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক সাব্বির আহম্মেদ মুক্তা শরণখোলা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, উপজেলা নির্বাচন হচ্ছে একটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন। দলীয় প্যাডে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন প্রদান বিষয়টি ষড়যন্ত্র ও রহস্যজনক। দলীয় প্রধান জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী গত ৫ ফেব্র“য়ারী বাগেরহাট জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ডাঃ মোজাম্মেল হোসেন (এমপির) নেতৃত্বে জেলা কমিটি তৃনমুলের মতামতের ভিত্তিতে আসাদুজ্জামান মিলনকে চেয়ারম্যান, মেজবাহাউদ্দিন খোকনকে ভাইস চেয়ারম্যান ও রাহিমা আক্তার হাসিকে দলীয় প্রার্থী হিসাবে নির্বাচিত করেন। এ ব্যাপারে ডাঃ মোজাম্মেল হোসেন বলেন, স্থানীয় নির্বাচনে আওয়ামীলীগ কোন প্রার্থীকে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনায়ন দেয় না। দেয় সমর্থন। দলীয় প্যাডে মনোনায়ন সংক্রান্ত বিষয়টিকে তিনি সন্দেহের চোখে দেখছেন। তবে, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যারা বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করে দলের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন, তাদের দলীয় সমর্থন পাবার সুযোগ নেই। তার নির্বাচনী এলাকায় এ ধরনের কোন সিদ্ধান্ত হলে তার জানার কথা। বিষয়টি দলীয় প্রধানের কাছে জানাবেন বলে তিনি জানান।




