ads

বুধবার , ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ | ২৮শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

দুর্গম পাহাড়ে শিক্ষা ও সেবায় ‘রাজগুরু অগ্রবংশ শিশু সদন’

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১৪ ১:১৬ অপরাহ্ণ

Rangamati shishushodon pic-aজসীম উদ্দিন তালুকদার, রাঙামাটি : দুর্গম পাহাড়ে সেবা ও শিক্ষার আলো প্রজ্জ্বলনের একটি নাম হল ‘রাজগুরু অগ্রবংশ শিশু সদন’। রাঙামাটি সমাজ সেবা অধিদপ্তরের নিবন্ধনকৃত সেবামূলক এই প্রতিষ্ঠানটি ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দে বিলাইছড়ি উপজেলার দীঘলছড়িতে প্রতিষ্ঠিত হয়। রাঙামাটির দুর্গম পাহাড়ি পল্লী,খাগড়াছড়ির প্রত্যন্ত এলাকাসহ ভারত সীমান্তবর্তী চংরাছড়ি ও দুমদুমিয়া এলাকার অনাথ ও দুঃস্থ শিশুরা এই প্রতিষ্ঠানটি থেকে আবাসিক সুবিধাদি পেয়ে স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করছে।

Shamol Bangla Ads

বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানটির পৃথক ৩টি ঘরে ৩৫ জন ছাএ,ভান্তে ৪ জন ও শ্রমণ ৯ জন রয়েছেন। এই সকল অনাথ ও গরীব শিক্ষার্থীরা শিশু সদনটির তত্ত¡াবধায়ক আর্য্য লংকার থের থেকে খাবার,শিক্ষা উপকরণ ও স্কুলের টিউশন ফি সহ শিক্ষা সংক্রান্ত খরচ পেয়ে থাকেন। সমাজ সেবা অধিদপ্তর থেকে প্রতিষ্ঠানটিতে ১১জন শিশুর জন্য মাসিক ১১ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। আবার এই অর্থ শিশু সদন কর্তৃপক্ষ ৬ মাস অন্তর পেয়ে থাকে। বিলাইছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের প্রকল্প থেকে পাওয়া সহায়তা আর তত্ত¡াবধায়ক ভান্তের সংগ্রহকৃত অর্থে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পরিচালিত হয়। প্রতিষ্ঠানটির তত্ত¡াবধায়ক বৌদ্ধ বিহারে ধর্মীয় কাজ করার পাশাপাশি শিশু সদনটিতে অনাথ ও গরীব শিশুদের দেখাশোনা করেন।

ভান্তে বলেন প্রতিমাসে অনাথ শিশুদের যাবতীয় খরচ ও প্রতিষ্ঠান বাবদ ২০ হাজার টাকা ব্যয় হয়। সমাজ সেবা অধিদপ্তরের টাকা আর অন্যান্য অনুদানের টাকায় পুরো বছরের কার্যক্রম পরিচালনা খুবই কঠিন। তিনি বলেন কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে গেলে ওখান থেকে পাওয়া দানের অর্থ তিনি শিশু সদনে ব্যয় করেন। তিনি আরও বলেন এখানে থাকা শিশুদের পরিবারের লোকজন ছেলেদের দিয়ে যাবার পর থেকে থাকা-খাওয়া,পোশাক,শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ যাবতীয় তাকেই দেখাশোনা করতে হয়। তিনি ২০০৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্ব গ্রহণ করে সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। ভান্তে বলেন রাঙামাটি পার্বত্যজেলা পরিষদ,জেলা প্রশাসন,পার্বত্য চট্রগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড,সেনা জোন,এনজিও সংস্থা এসকল প্রতিষ্ঠান থেকে শিশু সদন পরিচালনার জন্য কোন আর্থিক সহায়তা পাওয়া যায় না। তত্ত¡াবধায়ক ভান্তে আরও বলেন,শিশু সদনে অনাথ ছেলেদের শিক্ষার জন্য কম্পিউটার প্রয়োজন,আসবাবপএ(বেঞ্চ ও আলমারি),রিংওয়েল বা ডিপওয়েল স্থাপন করে তা থেকে বৈদ্যুতিক মটরের মাধ্যমে পানি সরবরাহ করা,শিশু সদনের পাশে খালে যাবার পথে পাকা সিড়ি নির্মাণ ও দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট পাকা ভবনটি দ্বিতল করা অত্যাবশ্যক । প্রতিষ্ঠানটির নামে সোনালী ব্যাংক বিলাইছড়ি শাখায় সহি নং ২২১২ ও বিকেবি বিলাইছড়ি শাখায় সহি নং ১২২৮ রয়েছে। আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত এই প্রতিষ্ঠানটির সাহায্যে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এগিয়ে আসলে এখানে থাকা অনাথ ও দুঃস্থ ছেলেদের আরো ভাল সুবিধাদি দেয়া সম্ভব হবে বলে তত্ত¡াবধায়ক আর্য্য লংকার থের জানিয়েছেন।

Need Ads
error: কপি হবে না!