এম. এ করিম মিষ্টার, নীলফামারী : নীলফামারীর সৈয়দপুরে হঠাৎ করে রাসায়নিক সারের বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে। চড়া দাম দিয়েও চাহিদামতো সার মিলছে না। রবি আবাদের ভর মৌসুমে প্রয়োজনীয় সার না মেলায় বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। বিশেষ করে প্রান্তিক চাষিরা রবি ফসলের আবাদি জমি তৈরি করেও বাজার চড়ার কারণে হাত গুটিয়ে বসে আছেন। এতে করে রবি ফসল আলু, সরিষা, গম ও ভুট্টার আবাদ কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সার ভেদে বস্তা ( ৫০ কেজি) প্রতি ১৫০ টাকা থেকে ৪৫০ টাকা দাম বাড়িয়েছে সারের ডিলার ও খুচরা ব্যবসায়ীরা।

ডিলাররা বলছেন, খুচরা ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে খুচরা ব্যবসায়ীরা এ অভিযোগ অস্বীকার করেন। ডিলারদের সূত্র জানায়, নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলায় মোট ১৫ জন ডিলার রয়েছে। এসব ডিলারদের সারের মাসিক বরাদ্দ মিললেও সব সার তুলতে পারেনি। পরিবহন সংকট, ভাড়া বৃদ্ধিসহ নানা কারণে বাফার স্টক থেকে আনতে পারছেন না সার। ফলে সারের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে সারের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় বাজারে ৭৭০ টাকা বস্তা ইউরিয়া সার ৯০০ টাকা, ১ হাজার ৩৫০ টাকার ডিএপি সার ১ হাজার ৮০০ টাকা, ১ হাজার ৫০ টাকা বস্তা টিএসপি ১ হাজার ৩০০ টাকা এবং ৭০০ টাকা বস্তার পটাশ ৮৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কৃষি বিভাগ জানায়, এ বছর উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে মোট ২ হাজার ৭০১ হেক্টর জমিতে রবি ফসল চাষের লক্ষ্যমত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে আলু ১ হাজার ৫৩০ হেক্টর, গম ২১৫ হেক্টর ও সরিষা ২১৫ হেক্টরে এবং রসুন, পিঁয়াজ, শাক-সবজি ৫১৭ হেক্টর জমিতে। প্রতিমাসে ডিলারদের সার বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে। সারের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে তাই দাম বৃদ্ধি পাওয়ার কথা নয় বলে মন্তব্য কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা।




