কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার চর চাপড়া গ্রামে খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আরেকটি খুনের ঘটনা ঘটল। হত্যা মামলার অন্যতম আসামি আয়নাল ইসলামকে (৬০) গত রোববার রাতে কুপিয়ে হত্যা করে প্রতিপক্ষের লোকজন।
এবারও হত্যাকপ্রন্ডর পর গ্রামের ৩০-৪০টি বাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে। এ ঘটনার পর চর চাপড়া গ্রাম পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে। সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

চর চাপড়া গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দা জানান, নিহত আয়নালের ১০ শতাংশ জমি গত বছর গ্রামের পূর্বপাড়ার সাহেব আলীর লোকজন দখল করে। এ নিয়ে দ্ব›েদ্ব ওই বছরের ফেব্র“য়ারি মাসে সাহেব আলী খুন হন। হত্যাকান্ডের পর আয়নালসহ গ্রামের বেশ কয়েকজনের বাড়িতে ব্যাপক লুটপাট ও ঘরের টিন কুপিয়ে কেটে দেওয়া হয়। হত্যা মামলা হলে আসামিরা অন্যত্র পালিয়ে যান। এর মধ্যে আয়নাল পূর্বপাড়ার বাসা ছেড়ে পশ্চিমপাড়ায় বসবাস শুরু করেন।
রোববার রাত সাড়ে আটটার দিকে গ্রামের বিশুর বাড়ির সামনে আয়নালকে কুপিয়ে হত্যা করে প্রতিপক্ষরা। এরপর ওই রাতে ও সোমবার সকালে তান্ডব চালায় নিহত আয়নালের লোকজন। তারা বিশুর বাড়ির ইটের দেয়াল ভেঙে লুটপাট ও ভাঙচুর চালায়। রফিকুল ইসলামের বাড়ির ঘরের টিন কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করে। টেলিভিশন, ফ্রিজ, আলমারি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়। এভাবে ৩০-৪০টি ঘরের টিন কুপিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়।

মঙ্গলবার দুপুরে চর চাপড়া গ্রামে ঢুকতেই চোখে পড়ে কয়েকজন নারী পুঁটলি নিয়ে গ্রাম ছেড়ে যাচ্ছেন। আসামি রফিকুল ইসলামের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, পুলিশি পাহারা। রফিকুল বাড়িতে নেই। তাঁর স্ত্রী শামসুন্নাহার বেগম দাবি করেন, তাঁর স্বামী আয়নাল হত্যাকান্ডে জড়িত নন। তারপরও তাঁদের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে সর্বস্ব লুটপাট করা হয়েছে।




