কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি : কলারোয়ায় ‘মা’ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অর্ধশতাধিক মায়েদের অংশগ্রহণে বৃহষ্পতিবার কলারোয়া শিশু ল্যাবরেটরী স্কুলে ওই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইমদাদুল হকের সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান, সহকারী প্রধান শিক্ষক শেখ জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু, স্বপন কমুার দে, আমজাদ হোসেন, শাহ আলম, নার্গিস খানম, রুনা লায়লা, নিগার সুলতানা, আব্দুল্যাহ আল মামুন, পারভেজ হুমায়ুন কবীর প্রমুখ। ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের আওতাধীন ‘আমাদের কলারোয়া প্রকল্প’ ও ওয়াটার এইড’র অর্থায়নে অনুষ্ঠিত সমাবেশটি পরিচালনা করেন প্রকল্পের কর্মকর্তা রিতা বিশ্বাস। শিশুর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও মেয়েদের ঋতুকালীন স্বাস্থ্যাভ্যাস বিষয়ে সচেতনতামূলক নানান দিক নিয়ে সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হয়।
কলারোয়া সীমান্তে বিপুল পরিমাণ এ্যানাগ্রা ট্যাবলেট উদ্ধার

কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি : কলারোয়া সীমান্তে বিপুল পরিমাণ এ্যানাগ্রা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বিজিবি। বৃহষ্পতিবার ভোরে এগুলো উদ্ধার হলেও কেউ আটক হয়নি। বিজিবি সূত্র জানায়, কাকডাঙ্গা বিওপির নায়েব সুবেদার হুমায়ুনের নেতৃত্বে বিজিবি সদস্যরা সীমান্তবর্তী ভাদিয়ালী থেকে ৯হাজার ৩’শ৫০পিচ ভারতীয় এ্যানাগ্রা ট্যাবলেট উদ্ধার করে। যার আনুমানিক মূল্য ৬লাখ ৫৪হাজার ৫’শ টাকা।
প্রচন্ড শীতে অসুস্থ হয়ে কলারোয়ায় এক বৃদ্ধার ইন্তেকাল

কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি : প্রচন্ড শীতে অসুস্থ হয়ে কলারোয়ায় সত্তর বছর বয়সী এক বৃদ্ধা ইন্তেকাল করেছেন। তিনি উপজেলার ৫নং কেঁড়াগাছি ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড আ’লীগের সা.সম্পাদক আ.রহিমের মাতা সুফিয়া বেগম (৭০)। বুধবার রাতে প্রচন্ড শীত জনিত কারণে সুফিয়া বেগম অসুস্থ হয়ে পড়লে সাতক্ষীরা হাসপাতালে ভর্তির পর বৃহষ্পতিবার বেলা ১টার দিকে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না…রাজিউন)। মৃত্যুকালে তিনি ৭ ছেলে, ৩ মেয়েসহ অসংখ্যা গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। শুক্রবার জুম্মা নামাজ শেষে কেঁড়াগাছি ঈদগাহ মাঠে নামাজে জানাজা শেষে মরহুমাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন হওয়ার কথা রয়েছে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।
সাতক্ষীরার কয়ালবিলের বটতলা থেকে রামের ডাঙ্গা রাস্তার বেহালদশা : সংস্কার জরুরী
কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি : বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাঁশদহা ইউনিয়নের ‘ইউনিয়ন সদর নামে পরিচিত’ কয়াল বিলের বটতলা থেকে রেউই বাজার হয়ে রামেরডাঙ্গা পর্যন্ত রাস্তাটি। যা সংস্কার অতি জরুরী। সরেজমিনে দেখা গেছে, চার কিলোমিটারের এ রাস্তায় অসংখ্যা খানা-খন্দে সৃষ্টি হয়ে বিপদ সংঙ্কুল অবস্থা। রাস্তায় পিচ-খোয়া উঠে চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বহু স্থানে কার্পেটিং-এর রাস্তাটির লেশ মাত্র নমুনা নেই। রীতিমত ঝুকি নিয়ে চলছে নছিমন, করিমন, সাইকেল, মটর সাইকেল, ইজিবাইক, পিকআপসহ নানা ধরণের হালকা ও ভারী যানবাহন। এলাকার হাজার হাজার পথচারী প্রতিনিয়ত কয়ারবিলের এ রাস্তা দিয়ে সাতক্ষীরা সদর ও কলারোয়া উপজেলায় যাতায়াত করে থাকে। এছাড়া, জনপদের কৃষি পণ্যসহ নানা সামগ্রী উপজেলা সদর ও অন্যান্য স্থানে আনা-নেয়ার একমাত্র এ রাস্তাটি এমন করুণ দশার দৃশ্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্টরা যেন দেখেও দেখে না। দ্বায়িত্বশীলদের নেই কোন মাথা ব্যাথা। এছাড়াও সীমান্তবর্তী এলাকায় রয়েছে বৈকারীর গরুর খাটাল, কুশখালী খাটাল, তলুইগাছা খাটাল। সেখান থেকে প্রতিদিন অসংখ্যা গরু এ রাস্তাটি দিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পোঁছায়। সেখান থেকে সরকার আয় করছে মোটা অংকের রাজস্ব। সর্বশেষ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে ভুক্তভোগীদের দাবী- কয়ারবিলের বটতলা থেকে রেউই বাজার হয়ে রামের ডাঙ্গা পর্যন্ত রাস্তাটি সংস্কার করে জনদুর্ভোগ থেকে এলাকায় হাজার হাজার মানুষকে মুক্তি দেবেন।




