আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার আদমদীঘিতে ৫ বছর বয়সের স্বাধীন নামের এক শিশু পুত্রকে হাত পা বেঁধে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ৮ টায় খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছে। স্বাধীন উপজেলার কালাইকুড়ি গ্রামের ছায়ফুল ইসলামের পুত্র। এ ঘটনায় জনতা মোহন (১৫) নামের এক স্কুল ছাত্রকে আটক করে থানায় সোপর্দ করেছে। আটককৃত মোহন একই উপজেলার গোড়গ্রামের আসলাম হোসেনের পুত্র ও নিহত স্বাধীনের মামাতো ভাই বলে জানাযায়।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, স্কুল ছাত্র মোহন কালাইকুড়ি গ্রামের তার মামা ছায়ফুলের বাড়ী থেকে লেখাপড়া করছিল। মোহন বখাটে হওয়ায় তার মামা ছায়ফুল ইসলাম সম্প্রতি তাকে শাসন করে। এতে মোহন ক্ষিপ্ত হয়। এর এক পর্যায়ে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে মোহন শিশু স্বাধীনকে ফুসলিয়ে বাড়ী থেকে নিয়ে যায়। সন্ধ্যার পর জনতা শালগ্রামের জুগিহার নামকস্থানে জনৈক খায়রুলের পুকুর পাড়ে অবস্থিত শ্যালোর ঘরে শিশু স্বাধীনকে বৈদ্যুতিক তার দিয়ে বাঁধা হাত পা ও স্বাসরোধ করে হত্যা করা লাশ দেখতে পায়। রাত ৮ টায় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় জনতা আহসান হাবিব ওরফে মোহন (১৮) নামের এক স্কুল ছাত্রকে গ্রেফতার করে । আটককৃত মোহন একই উপজেলার গোড়গ্রামের আসলাম হোসেনের পুত্র ও নিহত স্বাধীনের মামাতো ভাই বলে জানাযায়।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, স্কুল ছাত্র মোহন কালাইকুড়ি গ্রামের তার মামা ছায়ফুলের বাড়ী থেকে লেখাপড়া করছিল। মোহন বখাটে হওয়ায় তার মামা ছায়ফুল ইসলাম সম্প্রতি তাকে শাসন করে। এতে মোহন ক্ষিপ্ত হয়। এর এক পর্যায়ে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে মোহন শিশু স্বাধীনকে ফুসলিয়ে বাড়ী থেকে নিয়ে যায়। সন্ধ্যার পর জনতা শালগ্রামের জুগিহার নামকস্থানে জনৈক খায়রুলের পুকুর পাড়ে অবস্থিত শ্যালোর ঘরে শিশু স্বাধীনকে বৈদ্যুতিক তার দিয়ে বাঁধা হাত পা ও স্বাসরোধ করে হত্যা করা লাশ দেখতে পায়। রাত ৮ টায় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। এ ব্যাপারে নিহতের পিতা ছায়ফুল ইসলাম বাদী হয়ে মোহনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা করেন। থানার অফিসার ইনচার্জ নজরুল ইসলাস জানান প্রাথমিক জিজ্ঞাবাদে নারী ও চুরি ঘটনা সম্পর্কে অপবাদ দেয়ায় স্বাধীনকে খুন করে বলে মোহন স্বীকার করেছে। গতকাল শুক্রবার মোহনকে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।




