ads

বৃহস্পতিবার , ১৬ জানুয়ারি ২০১৪ | ২৫শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

নির্বাচনী সহিংসতা : রামগঞ্জে ক্ষতিগ্রস্থ ১৮টি বিদ্যালয়ে ১৪ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি নির্ধারণ

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
জানুয়ারি ১৬, ২০১৪ ৬:০৮ অপরাহ্ণ

election Violenceরামগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি : ৫ জানুয়ারী লক্ষ্মীপুর-১ রামগঞ্জ আসনে জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংস ঘটনায় উপজেলার ১৮টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। উপজেলা শিক্ষা অফিস ও উপজেলা প্রকৌশল অফিস কর্তৃক পৃথক অনুসন্ধানে বিদ্যালয় গুলোর ক্ষতির পরিমান ১৪ লক্ষাধিক টাকা নির্ধারন করেছে। অতিসত্তর নির্ধারনকৃত ওই টাকা বরাদ্ধের জন্য দু’টি দপ্তর থেকেই সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন সংশ্লিষ্ট দপ্তর বরাবর আবেদন করা হলেও দীর্ঘ ৮ দিন পরও কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে ক্ষতিগ্রস্থ ১৮টি বিদ্যালয়ে অদ্যাবধি শিক্ষার পরিবেশ ফিরে আসেনি। উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, নির্বাচনের দিন এবং পূর্বের দিন দুর্বৃত্তরা একযোগে প্রায় প্রতিটি ভোটকেন্দ্রেই হামলা সহ অগ্নিসংযোগ করে। সৃষ্ট ঘটনায় রসুলপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাওলীডাঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, সোন্দড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাঘবপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর হরিশ্চর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ব্রহ্মপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, কোমরতলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, নাগমুদ মধ্যপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, পানিয়ালা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভাটরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, নোয়াগাঁও বাজার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়,নয়নপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব বিঘা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, চাঙ্গিরগাঁও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, হোসনাবাদ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, নুিনয়াপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, শাহ জকি উদ্দিন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, দরবেশপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলো সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এই বিদ্যালয় গুলোর বই, চেয়ার, টেবিল, মূল্যবান কাগজপত্র, বেঞ্চ, ঘড়ি, কাপ-পিরিচ, দরজা- জানালা, প্রতিকৃতি সহ প্রায় সকল মালামালই পুড়ে যায়। এতে ১৮টি বিদ্যালয়ের ক্ষতির পরিমান ১৪ লক্ষাধিক টাকা নির্ধারন করা হয়েছে। অন্যদিকে এ হামলায় পর বিদ্যালয় গুলোর ক্ষতিপূরনে কোন ব্যবস্থা নেওয়াতো হয়নি এমনকি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্যাচমেন্ট এলাকায় আতংক নিরশনে নেওয়া হয়নি কোন পদক্ষেপ। ফলে বিদ্যালয় গুলোতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়ছে। সর্বপরি ক্ষতিগ্রস্থ বিদ্যালয় গুলোতে শিক্ষার পরিবেশ ফিরে আসেনি। এব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা অফিসার নবীর উদ্দিন জানান, ক্ষতিগ্রস্থ প্রতিটি বিদ্যালয়ে গিয়ে ক্ষতির পরিমান চার্ট আকারে তৈরী করা হয়েছে। ওই চার্ট অনুযায়ী বরাদ্ধের জন্য ৬ জানুয়ারী প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর আবেদন করা সহ সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরে অবগতির জন্য অনুলিপি প্রেরণ করা হয়েছে।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!