ads

বৃহস্পতিবার , ৯ জানুয়ারি ২০১৪ | ২৪শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

চুয়াডাঙ্গায় আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস: জনজীবন বিপর্যস্ত

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
জানুয়ারি ৯, ২০১৪ ৭:০৯ অপরাহ্ণ

temperaচুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি :  শীতে কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা। কিছুতেই যেন চুয়াডাঙ্গার পিছু ছাড়ছে না সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। ৯ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায়।  বৃহস্প্রতিবার চুয়াডাঙ্গার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই নিয়ে চলতি সপ্তাহে ৪ দিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় চুয়াডাঙ্গায়। ৪ জানুয়ারী শনিবার দেশের সর্বনি্ম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় চুয়াডাঙ্গায়। এদিন চুয়াডাঙ্গার তাপমাত্রা ছিল ৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এতে করে শীতকালীন বিভিন্ন অসুখে রোগীর ভীড়ও বাড়ছে বিভিন্ন হাসপাতাল ও প্রাইভেট ক্লিনিকে। গত কয়েকদিন ধরেই শীতের তীব্রতা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষগুলো জড়সড় হয়ে পড়েছেন। এদিকে, হরতাল অবরোধের কারনে বিভিন্ন এলাকা থেকে শীতার্থ মানুষদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসতে পারছেন না অনেকেই।

Shamol Bangla Ads

তীব্র শীত উপেক্ষা করে খেটে খাওয়া মানুষগুলো দু’মুঠো অন্নের জন্য ছুটছে কাজের সন্ধানে। প্রচন্ড শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়েই চলছে তাঁদেন জীবন সংগ্রাম। শীতের তীব্রতার সাথে শীতজনিত রোগবালাই ছড়িয়ে পড়ায় জেলার শিশু ও বৃদ্ধরা নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। জেলার জীবননগর, দামুড়হুদা আলমডাঙ্গা ও সদর হাসপাতাল ও ক্লিনিকে গত এক সপ্তাহে প্রায় তিন শতাধিক শিশু ও বৃদ্ধ শীত জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে। জেলার এ চার উপজেলার শীতার্ত মানুষের বিপরীতে সরকারিভাবে নাম মাত্র কিছু কম্বল পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। অন্যদিকে প্রচন্ড শীতের কারণে শহরের অভিজাত বিপণী বিতান থেকে শুরু করে ফুটপাতের গরম কাপড়ের দোকানগুলোতে বাড়ছে শীতার্ত মানুষের ভিড়। আর এ সুযোগে গার্মেন্টস ব্যবসায়ীরা পোশাকের দামও বাড়িয়ে দিয়েছেন কয়েকগুণ। সরেজমিনে দেখা গেছে, কিছুদিন আগেও প্রতিপিচ সিংগেল লেপ ৪৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এখন তা বাড়িয়ে ৭০০-৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে প্রতিটি ডাবল লেপ ৮০০ টাকার স্থলে ১০০০-১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অনরুপভাবে অন্যান্য গরম পোশাক বিক্রির ক্ষেত্রেও একই অবস্থা চলছে। ফলে গরীব শীতার্ত মানুষগুলো বিপাকে পড়েছেন। বিভিন্ন এলাকায় শীতজনিত রোগ দেখা দেয়ায় স্বাস্থ্য কমপে¬ক্স ও বিভিন্ন ওষুধের দোকানে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতিদিনই অসংখ্য রোগী শীতজনিত বিভিন্ন রোগের জন্য ওষুধ কিনতে দোকানে দোকানে ছুটছেন।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আর.এম.ও) ডা. মাসুদ রানা জানালেন, হাসপাতালে ধারণ ক্ষমতার চেয়ে ৪ গুন বেশী শীত জনিত রোগী ভর্তি হয়েছে গত কয়েকদিনে । যার অধিকাংশই শিশু। সাধ্যানুযায়ী তাদের চিকিৎসা সেবাও দেওয়া হচ্ছে।
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহিদ হোসেন জানান, চুয়াডাঙ্গা সীতাকুন্ড, শ্রীমঙ্গল, রাজশাহী, পাবনা, যশোর চুয়াডাঙ্গা অঞ্চলসমূহের উপর দিয়ে মাঝারী ধরণের শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

Need Ads
error: কপি হবে না!