ads

শনিবার , ৪ জানুয়ারি ২০১৪ | ২৩শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ডুমুরিয়ায় সন্ত্রাসীর গুলিতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নিহত ও বন্দুকযুদ্ধে হত্যাকারি নিহত

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
জানুয়ারি ৪, ২০১৪ ৫:৫১ অপরাহ্ণ

bonduk joddoশেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া (খুলনা) : সন্ত্রাসীর গুলিতে নিজবাড়ির বারান্দায় শুক্রবার রাত পনে ১১টায় ডুমুরিয়া উপজেলার ধামালিয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বিএম শহিদুল ইসলাম(৪৫) নিহত হয়েছে। তবে ওই  হত্যাকান্ডের পরপরই এলাকাবাসীর হাতে আটক হওয়া এক হত্যাকারী পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছে।
পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, ধামালিয়া ইউনিয়নের টোলনা গ্রামের তিনবার নির্বাচিত সদস্য ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য বিএম শহিদুল ইসলাম ২১ দিন বয়সী মেয়ের আকিকা অনুষ্ঠানের খাওয়া দাওয়া শেষে শুক্রবার রাত পনে ১১টায় লোহার ঘেরা(গ্রীল) দেওয়া বাড়ির বারান্দায় দাড়িয়ে দাঁত পরিষ্কার করছিলেন। ওইসময় চাদর গায়ে দেওয়া তিনজন লোক এসে টেলানা বাজারের এক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার ও তাকে রিমান্ডে নেওয়ার বিষয় জানতে চায়। কিছু সময় কথা বলার পর সন্ত্রাসীরা সুপারিশ করার জন্য একটা কাগজ দিলে শহিদুল সেটির দিকে মনোযোগ দিয়ে পড়ার ফাঁকে সন্ত্রাসীরা লোহার ঘেরার বাইরে থেকে তার পেটে গুলি করে। গুলির শব্দ শুনে ঘর থেকে তার স্ত্রী বাইরে এসে স্বামীকে বারান্দায় উপুড় হয়ে পড়ে থাকতে দ্যাখেন। ওইসময় বাড়িতে থাকা শহিদুলের শশুর মুন্তাসির রহমান(৫২)ও ঘর থেকে বারান্দায় এসে জামাইয়ের অবস্থা দেখে সকলে মিলে আর্ত-চিৎকার শুরু করেন। স্বজনদের আর্ত-চিৎকারে আশপাশের প্রতিবেশিরা দ্রæত এগিয়ে এসে সন্ত্রাসীদের ধাওয়া করে। টোলনা বাজার থেকে প্রায় এক কিলোমিটার ভেতরের ওই রাস্তায় গ্রামবাসীর হাতে খুঁনি সোহান শেখ(২১) ধরা পড়ে। ধরাপড়ার পর গণপিটুনি দিয়ে গ্রামবাসী তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। ওইসময় ডুমুরিয়া পুলিশ সোহানের কাছ থেকে হত্যাকান্ডের কারণ ও অপর হত্যাকারীদের সম্পর্কে তথ্য জানার চেষ্টা করেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত তিনটার দিকে অন্য হত্যাকরীদের ধরতে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সাত কিলোমিটার দূরে শাহপুর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে পৌছায়। পুলিশের ভাস্যমতে সেখানে পৌছার পরপরই স্কুলের ভেতর থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমা ও গুলি ছুড়তে শুরু করে। দুইপক্ষের গোলাগুলির এক পর্যায় ফুলতলা উপজেলার ডাহুকোনা গ্রামের মৃত দাউদ শেখের ছেলে সোহান পালানোর চেষ্টা করলে গুলিবিদ্ধ হয়ে সে প্রাণ হারায়। ওই সময় সেখান থেকে পুলিশ একটি গুলিসহ বিদেশি পিস্তল, দুইটি গুলিসহ দুটি সাটারগান, চারটি তাজা বোমাসহ কয়েকটি গুলির খোস উদ্ধার করেছে। অপরদিকে গুলিবিদ্ধ শহিদুলকে স্বজনরা একটা নসিমনে করে রাত ১২টার দিকে স্থানীয় বরূণা ক্লিনিকে নেয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে এ্যাম্বুলেন্সে করে রাত তিনটার দিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের স্ত্রী মহসিনা আকতার বলেন, ‘কিছুদিন আগে থেকেই শুনতাম কিছু লোক আমার স্বামীকে মেরে ফেলতে পারে। সে এলাকায় খুব জনপ্রিয় ছিলো। যারা তারজন্য মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারছিলো না তারাই থেকে ভাড়াটে খুঁনি দিয়ে ওকে হত্য করিয়েছে। আমি শুধু খুনিদের না, যারা টাকা দিয়ে মারিয়েছে তাদেরও ফাঁসি চাই। ওই সময় থেকে মাওলানা আবু জাফরের সঙ্গে বিরোধ শুরু হয়। আমার ধারণা জামায়াত-শিবিরের ক্যাডারাই তাকে হত্যা করেছে।
পুলিশের একটি সুত্রে জানা গেছে, এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি ও পূর্ব শত্রæতার জের ধরে তাকে হত্যা করা হতে পারে। তবে ডুমুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ আওলাদ হোসেন বলেন, ধরাপড়ার পর  সোহান পুলিশের কাছে হত্যাকান্ডে জড়িতদের সম্পর্কে অনেক তথ্য দিয়েছে। এই হত্যাকান্ডটি গভীর রহস্য জনক। আমরা জোর তদন্ত চালাচ্ছি। এ ঘটনায় হত্যা, সরকারি কাজে বাঁধা, অস্ত্র ও বিষ্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা হয়েছে।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!