আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি ঃ আদমদীঘির সান্তাহার কওমী মাদরাসার ছাত্র মালয়েশিয়া প্রবাসির পুত্র ইউসুফ আলী (১১) অপহরনের ১৪ ঘন্টার ব্যবধানে আহত অবস্থায় অবস্থায় শুক্রবার রাত ৯ টায় উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা। ওই ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
জানা যায়, আদমদীঘির বড় আখিড়া মন্ডলপাড়ার মালয়েশিয়া প্রবাসি সেলিম উদ্দীনের পুত্র ইউসুফ আলী (১১) কে দেড় বছর পূর্বে সান্তাহারস্থ রেল কলোনীর দারুল উলুম কওমী মারাসায় ভর্তি করিয়ে দেয়া হয়। সে বর্তমানে মক্তব শ্রেনীতে পড়ে। শুক্রবার সকাল ৮ টায় ওই মাদরাসার হেফছ শ্রেনীর ছাত্র রানীনগর উপজেলার শফিকপুর গ্রামের আল-আমিন কৌশলে তার বাড়ীতে নিয়ে যাবার কথা বলে মাদরাসা থেকে বের করে আল আমিনের ওঁৎ পেতে থাকা ভগ্নিপতি সুমনের নিকট নিয়ে য়ায় এবং ৩ জনেই মোটর সাইকেল যোগে প্রথমে রানীনগরে গিয়ে আল আমিনকে রেখে ইউসুফ আলীকে সুমন মোটর সাইকেল যোগে অপহরন করে। এরপর অপহৃত ইউসুফকে দিয়ে তার মা রতœাকে মোবাইল পোনে ইউসুফের মুক্তিপন বাবদ ৫০ হাজার টাকা দাবী করে তাকে আটক রাখে। ঘটনাটি এলাকায় তোলপাড়ের সৃষ্টি হলে সুমন নামের ওই অপহরনকারী রাত ৮টা দিকে প্রবাসির পুত্র ইউসুফ আলীকে উপজেলার কয়াকুঞ্চি এলাকার রাস্তার পাশে তার হাতে ও বুকের পাজরে ছুরিকাঘাত করে মারা গেছে ভেবে ফেলে রেখে সুমন পালিয়ে য়ায়। পওে ইউসুফের গঙ্গানিতে স্থানীয় মাদরাসার ছাত্ররা দেখতে পেয়ে সান্তাহার মাদরাসা কতৃপক্ষকে খবর দিলে রাত ১০ টার দিকে ইউসুফকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। পরদিন গতকাল শনিবার সান্তাহার মাদরাসা কতৃপক্ষ অভিনব কায়দায় আল আমিন তার পিতা মোস্তাফিজুর রহমান ও অপহরনকারী সুমনের পিতা সাহাদত হোসে কে আটক করে সন্ধ্যায় আদমদীঘি থানায় সোপর্দ করেন। ইউসুফ আলীর মা জানান তাকে তার ছেলের দ্বারা মোবাইল ফোনে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপন দাবী করে সুমন। থানার অফিসার ইনচার্জ নজরুল ইসলাম জানান মামলার প্রস্তুতি চলছে।




