শ্যামলবাংলা ডেস্ক : এবারের প্রাথমিক সমাপনীর বাংলার বিষয়ের ৫৩ শতাংশ এবং ইংরেজির ৮০ শতাংশ প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে বলে তদন্তে প্রমাণ মিলেছে। তবে পরীক্ষা বাতিল করা হচ্ছে না। শিশুদের পানিসমেন্ট দেয়া সম্ভব হচ্ছে না।
৮ ডিসেম্বর রবিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এস এম আশরাফুল ইসলাম ওই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

উল্লেখ্য, প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ তদন্তে আশরাফুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে ২৩ নভেম্বর করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। রবিবার ওই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া হয।
তদন্ত প্রতিবেদনে ময়মনসিংহ এলাকার একটি কোচিং সেন্টারের সঙ্গে জড়িত জনৈক শিক্ষক যিনি ইংরেজী বিষয়ের প্রশ্নের প্রণেতা এবং ওই কোচিং সেন্টারের সঙ্গে ন্যাশনাল একাডেমি ফর প্রাইমারি এডুকেশনের (ন্যাপ) সংযোগ আছে বলে তদন্তে ওঠে এসেছে বলে তিনি জানান।
এছাড়াও তদন্ত প্রতিবেদনে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার প্রশ্ন প্রণয়নে ‘আমুল’ পরিবর্তনের সুপারিশ করা হয়েছে বলে আশরাফুল জানান।
এবছর দেশের ৬ হাজার ৫৭৪টি কেন্দ্রে ২৯ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। ওই পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর থেকেই দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ ওঠে। এনিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদও প্রকাশিত হয়ায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করে।




