ads

শুক্রবার , ৬ ডিসেম্বর ২০১৩ | ১৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

নকলায় নেকব্লাস্ট রোগে সুগন্ধি জাতের ধানে চিটা কৃষকের মাথায় হাত

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
ডিসেম্বর ৬, ২০১৩ ৮:৪৬ অপরাহ্ণ
নকলায় নেকব্লাস্ট রোগে সুগন্ধি জাতের ধানে চিটা কৃষকের মাথায় হাত

নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি :  খাদ্যশস্যে উদ্বৃত্ত নকলা উপজেলায় চলতি আমন মওসুমে সুগন্ধি জাতের চিকন ধানের চাষ নেকব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত হয়ে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ফসলী মাঠ পরিদর্শনে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের নিকট থেকে জানা যায়, সুগন্ধি জাতের কালিজিরা, চিনিগুড়ি ও তুলশীমালা ধানের চারা রোপনের সময় ঠিকমত বৃষ্টি না হওয়ায় সেচ দিতে হয়েছে। ঘণ সবুজের আমনের মাঠ দেখে প্রথমে কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক দেখা দিলেও ধানের শীষ বেরুনোর সময় নেকব্লাস্ট রোগে অধিকাংশ ধান গাছের থোড় আক্রান্ত হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। সুগন্ধি জাতের অধিকাংশ ধান খেতের থোড় কয়েকদিনের মধ্যেই শুকিয়ে সাদা হয়ে যায় এবং সমস্ত ধান চিটায় পরিণত হয়। ফলে প্রতি একরে যেখানে ৪০ মণ ধান উৎপন্ন হওয়ার কথা সেখানে মাত্র ২৪০ কেজি (৬মণ) ধান উৎপন্ন হয়েছে। এতে কৃষকরা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। নকলা পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের কৃষাণী শিউলী বেগম (৪০) জানান, এবার প্রায় সব জমিতেই আমি তুলশীমালা ধান রোপন করেছিলাম। কিন্তু ধানের শীষ বের হবার পরপরই সব শীষ শুকিয়ে সাদা হয়ে যায়। ফলন একরে ৬-৭মণ হলেও এ ধান বাজারে কম দামে বিক্রি করতে হয়। নকলা পৌরসভার ওয়ার্ড কাউন্সিলর ছায়েদুল ইসলাম জানান, খেতের ধান গাছের শীষ মরার আগে নকলা উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা দু’একদিন মাঠ পরিদর্শনে এলেও পরবর্তী পর্যায়ে তাদের আর দেখা যায়নি। গণপদ্দী ইউনিয়নের আদমপুর গ্রামের কৃষক মোবারক আলী (৪০) ও হানিফা (৩৫) এই প্রতিবেদককে জানান, অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত হওয়ায় আমরা কোন সন্তোষজনক ফলন পাইনি। নকলা উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি আমন মওসুমে ৩০হাজার ৬শ’ ৮৮ একর জমিতে আমন ধানের চাষ হয়েছে, এর মধ্যে ৭হাজার ১শ’ একর জমিতে ব্রি-জাতের ধান রোপন করা হয় বাকী ২৩ হাজার ৫শ’ ৮৮ একর জমিতে দেশী জাতের ধান চাষ করা হয়েছে। ব্রি-জাতের ধানের ফলন আশানুরূপ হলেও তুলশীমা, চিনিগুড়ি ও কালিজিরা ধানের শীষ নেকব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত হয়ে শুকিয়ে সাদা গেছে। এলাকার কৃষকদের নিকট থেকে জানা যায়, এবার সুগন্ধি জাতের চিকন ধানের আবাদ বেশি হয়েছিল কিন্তু নেকব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত হওয়ায় ফলন ব্যাহত হয়েছে। এ দিকে আমন মওসুমের ফসল কাটা শুরু হয়েছে।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!