ভোলাহাট(চাঁপাইনবাবগঞ্জ)প্রতিনিধি: বেকারের যন্ত্রণা আর অসহায় সংসারের হালধরতে ভোলাহাট উপজেলার বেকার যুবকেরা মানুষের জমি বর্গা নিয়ে উন্নত জাতের বরই ও পিয়ারা চাষ করে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন গুণতে গিয়ে এনজিও সংস্থার কাছ থেকে চড়া সুদে ঋনের টাকা নিয়ে চাষাবাদে লাভের চেয়ে লোকসানে পড়ে পরিবারের বোঝা হয়ে পড়ছেন। এমনি এক বাস্তব গল্প নিয়ে সাংবাদিকদের মুখমুখি হলেন ২০০৭ সাল থেকে বরই ও পিয়ারা চাষ করা চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার বীরশ্বরপুর গ্রামের ইউসুফ আলীর বেকার ছেলে রহমতুলাহ। তিনি বলেন, বেকারের যন্ত্রণা আর সামাজিক অমর্যাদা মাথায় নিয়ে ২০০৭ সালে নিজেকে স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে সামন্য নিজস্ব পুঁজি নিয়ে অন্যের জমি বর্গা নিয়ে শুরু করেন বরই চাষ । আর্থিক সমস্যার কারণে নিজেও শ্রমীকদের সাথে কঠিন পরিশ্রম করতে থাকেন। বর্তমানে তিনি ৪ বিঘা জমিতে উন্নত জাতের থাই পিয়ারা ও ১০ বিঘা জমিতে বাউকুল লাগিয়েছেন। শুরুও করেছেন ফল পেতে। ঢাকায় যায় বেশী আয় করার আশায় কিন্ত ঢাকা পৌঁছতে রাস্তার বিভিন্ন স্থানে চাঁদা গুণতে হয় । ফলে আয় কমে হয়। তিনি বলেন, বিঘা প্রতি জমি বর্গা নিতে হয়েছে ১০ হাজার টাকা সার,কীটনাশক, শ্রমিকসহ বিভিন্ন খরচ বাবদ ৯০ হাজার টাকা সর্বমোট খরচ ১ লাখ টাকা। তিনি বলেন, এ চাষে এনজিও সংস্থা গুলোর কাছ থেকে চড়া সুদে ও মাসিক কিস্তিতে ঋণ নেয়াতে বরই ও পিয়ারা বাগান থেকে আয় খুব সীমিত হয় কোন রকম নিজে চলতে পারলেও পরিবারের অন্যন্য সদস্যদের প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয় করাও সম্ভব হচ্ছে না। তবে তিনি বলেন, সরকারী ভাবে সহজ শর্তে সহজ উপায়ে দীর্ঘ মেয়াদি ঋনের ব্যবস্থা করলে আয়ের পরিমাণ বাড়বে এবং অন্যান্য বেকারেরাও নিজেদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে কর্মসংস্থান হিসেবে এ পদ্ধতি গ্রহন করবে । এতে বেকারত্ব দূর হবে এবং বেকারা সামাজিক অপরাধ থেকে মুক্ত হবে।




