ads

শুক্রবার , ১৫ নভেম্বর ২০১৩ | ১২ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

উল্কাবৃষ্টি!

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
নভেম্বর ১৫, ২০১৩ ৬:০৯ অপরাহ্ণ

Ulkaশ্যামলবাংলা ডেস্ক : রাতের আকাশে তো বটেই, মাঝে মাঝে দিনের আকাশ চিরেও ছুটে যেতে দেখা যায় বিরাট বিরাট অগ্নিগোলক। তবে জ্বলতে জ্বলতে এরা প্রায়ই নিঃশেষ হয়ে যায় আকাশেই। কদাচিৎ মাটিতে এসে পড়ে। এগুলোকে বলে বড় ধরনের উল্কাখণ্ড, ইংরেজিতে ‘বোলাইড’। কিছু কিছু থাকে খুব ছোট, সেগুলো মাটি পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে না, তার আগেই জ্বলেপুড়ে নিঃশেষ হয়ে যায়। কখনও কখনও রাতের আকাশে কাছাকাছি সময়ে জ্বলে ওঠে হাজার হাজার এ রকম উল্কা। তাদের গমনপথের জমকালো আলোয় ভরে যায় পুরো আকাশ। একে বলে ‘উল্কাবৃষ্টি’ বা উল্কাঝড়। হ্যাঁ, এ রকমই একটি উল্কাবৃষ্টির মুখোমুখি হতে যাচ্ছে পৃথিবী। পুরো নভেম্বর মাসই এটা অল্প-বিস্তর থাকবে, তবে চূড়ান্ত আকার ধারণ করবে কাল ১৬ নভেম্বর দিবাগত রাতে।

Shamol Bangla Ads

উল্লেখ্য, ৫৫-পি টেম্পল-টার্টল নামের একটি ধূমকেতু সূর্যের চারদিকে যে পথ ধরে ছুটে চলেছে, নভেম্বরের প্রারম্ভ থেকেই পৃথিবী ওই কক্ষপথকে অতিক্রম করতে শুরু করেছে। মনে রাখবে, সূর্যের চারদিকে পৃথিবী সেকেন্ডে ১৬ মাইল বেগে ছুটে চলেছে। আর ৫৫পি টেম্পল-টার্টল ছুটে চলার সময় পেছনে ফেলে যাচ্ছে বিচ্ছিন্ন সব ছোট ছোট টুকরো বা ডেবরি। বছরের এই নভেম্বরে পৃথিবীর চলার পথ টার্টলের কক্ষপথকে অতিক্রম করতে থাকে। তখনই বিচ্ছিন্ন টুকরোগুলোর মুখোমুখি হয় পৃথিবী এবং তা বায়ুমণ্ডলের ঘর্ষণে রাতের আকাশকে দ্যুতিময় করে তোলে। এদের উজ্জ্বলতার মাত্রা থাকে ২ দশমিক ৫ এবং বেগ প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৭১ কিলোমিটার পর্যন্ত। এটিই সেই প্রত্যাশিত উল্কাবৃষ্টি। আকাশে ‘লিও’ (সিংহ রাশি) নক্ষত্রমণ্ডলের স্থান থেকে ওই উল্কাপাত শুরু হয় বলে এর নাম ‘লিওনিড উল্কাবৃষ্টি’।
১৬ নভেম্বর দিবাগত রাতে এটা ভালোভাবে দেখা যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘণ্টায় ১২ থেকে ২০টি উল্কাপাত দেখতে পাওয়ার কথা। আকাশে চাঁদ না থাকলে অনেক স্পষ্টভাবে দেখা যাবে। এবার পূর্ণ চাঁদ থাকায় দেখায় অসুবিধা হতে পারে।
৫৫পি টেম্পল-টার্টল যা আমাদের কাছে পরিচিত ধূমকেতু টেম্পল-টার্টল হিসেবে। এটা আমাদের অতিপরিচিত হ্যালির ধূমকেতুর মতো পিরিয়ডিক ধূমকেতু। অবশ্য হ্যালির মতো ৭৬ বছরে নয়, ৩৩ বছরে একবার ঘুরে আসে। এ ধূমকেতুটি আবিষ্কার করেছিলেন দু’জন জ্যোতির্বিজ্ঞানী স্বতন্ত্রভাবে। তারা হচ্ছেন আর্নেস্ট টেম্পল (১৯ ডিসেম্বর ১৮৬৫) আর হোরেস পারনেল টার্টল (৬ জানুয়ারি ১৮৬৬ সাল)। লিওনিড উল্কাবৃষ্টির উৎসই হলো এই ৫৫পি টেম্পল-টার্টল। প্রতি ৩৩ বছরে একবার পৃথিবী টেম্পল-টার্টল ধূমকেতুটির সরাসরি ধূলিকণা মেঘের সান্নিধ্যে আসে, তখন প্রতি ঘণ্টায় হাজারের বেশি উল্কাপাত ঘটে থাকে। ২০২৩ সালের লিওনিড উল্কাবৃষ্টিতে এ রকমটি ঘটবে।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!