ads

রবিবার , ১০ নভেম্বর ২০১৩ | ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

নির্বাচনী হাওয়া : সুনামগঞ্জে সম্ভাব্য প্রার্থীরা মাঠে ব্যস্ত সময় পার করছেন

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
নভেম্বর ১০, ২০১৩ ১১:৪০ পূর্বাহ্ণ

untitleজাহাঙ্গীর আলম, সুনামগঞ্জ : দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রভাব সুনামগঞ্জেও বড় দুই দলে মধ্যে পড়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থীরা দলের সমর্থন আদায় করতে সর্বশক্তি প্রয়োগ করে দেশে-বিদেশে লবিং চালাচ্ছেন। সুনামগঞ্জের সবকটি আসনে একাধিক প্রবাসী প্রার্থী থাকায় স্ব-স্ব নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগ, কেন্দ্রে তৎপরতা ছাড়াও বিদেশেও লবিং করে যাচ্ছেন। প্রধান দুই দলেই রয়েছে চরম অর্ন্তদ্বন্দ্ব। প্রায় প্রতিটি উপজেলাই দু’দলের একাধিক গ্রুপিংয়ের পাশাপাশি পল্টিবাজ ও প্রবাসী নেতাদের দৌড়ঝাঁপ লক্ষণীয়। জাতীয় পার্টি ও হেফাজত কৌশলে চালাচ্ছে তাদের প্রচার।
সুনামগঞ্জ আওয়ামী লীগে দ্বিধা বিভক্তি থাকলেও জোটের চেয়ে দলীয় প্রার্থীর মনোনয়নের ক্ষেত্রে রয়েছে জোর লবিং ও প্রচার। অন্যদিকে বিএনপিতে পল্টিবাজ ও প্রবাসী নেতাদের দৌড়ঝাঁপ লক্ষণীয়। তবে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়া প্রার্থীরাই। এ ক্ষেত্রে ভোটার ও সাধারণ তৃণমূল কর্মীরা বলছেন, বড় দু’দলেই রয়েছেন লুটেরা অভিযোগে অভিযুক্ত, ন্যায়ভ্রষ্ট, পল্টিবাজ, দলবাজ, গ্রুপবাজ, ধান্ধাবাজ সময় ও সুযোগসন্ধানী প্রার্থীর বিচরণ।
ভোটারদের মধ্যে আওয়ামী লীগ কিংবা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত থাকলেও কেউ কেউ দলীয় পরিচয়কে মুখ্য হিসেবে বিবেচনায় আনছেন না। রাজনৈতিক মতাদর্শের বিপরীত দলের প্রার্থীর প্রকাশ্যে বিরোধীতা রয়েছে উভয় পক্ষে। দলের অধিকাংশ নেতাকর্মী, সমর্থক ও ভোটাররা এ ক্ষেত্রে বেশ বিপাকে আছেন।
অন্যদিকে ব্যক্তিগত পরিচিতির অভাবে জাতীয় পার্টির সমর্থক প্রার্থীরা ভোটারদের মাঝে কোনরূপ সাড়া ফেলতে না পারলেও এরশাদের উন্নয়ন কাজের ফিরিস্তি দিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন জোরেসোরেই।
সুনামগঞ্জ-১ (তাহিরপুর-জামালগঞ্জ-ধর্মপাশা) : আওয়ামী লীগে এ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসাবে মাঠে রয়েছেন বর্তমান সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এ্যাডভোকেট সেলিম আহমদ, সাবেক সাংসদ সৈয়দ রফিকুল হক সোহেল, জামালগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ইউসুফ আল আজাদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রেজউল করিম শামিম, ধর্মপাশা উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল আওয়াল, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট রণজিত সরকার। এছাড়াও আরও রয়েছেন কৃষকলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদক জামালগঞ্জ উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান শামীমা শাহরিয়ার, জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক করুনা সিন্ধু চৌধুরী বাবুল। এদিকে জেলা সিপিবি সভাপতি প্রভাষক বাবু চিত্তরঞ্জন তালুকদারও গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
অন্যদিকে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী দলটির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ডা. রফিক চৌধুরী ও তাহিরপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আনিসুল হক, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ধর্মপাশা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মোতালেব খাঁন, জাতীয়তাবাদী যুবদলের সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট রেজাউল করিম খোকন, কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা মামুনুর রশিদ শান্ত, যুক্তরাজ্য বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ব্যারিস্টার হামিদুল হক আফিন্দি লিটন, যুক্তরাজ্য বিএনপির ধর্মবিষয়ক সম্পাদক ইলিয়াস হেসেন আমিনী, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি সাবেক ছাত্রনেতা রাখাব উদ্দিন, যুক্তরাজ্য বিএনপির সহ-মুক্তিযোদ্ধাবিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান কামরুল, সাবেক ছাত্রনেতা সাইফুল ইসলাম, দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার ক্রাইম রিপোর্টার ওমর ফারুক আল হাদী। এ ছাড়াও জেলা বিএনপির সাবকে সভাপতি সংস্কারপন্থী নেতা ১/১১ পরবর্তী বহিষ্কৃত সাবেক সংসদ নজির হোসেনের নামও শোনা যাচ্ছে।
জাতিয় পার্টির মনোনয়ন প্রত্যাশী হচ্ছেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সাধন কুমার ভৌমিক, বীর মুক্তিযুদ্ধা এ্যাডভোকেট আসাদ উল্লাহ সরকার।  তবে এ আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে জোট-মহাজোট প্রার্থীর মধ্যেই।
সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই ও শাল্লা) : এ আসনের নির্বাচনী হালচাল অন্যান্য আসনের চেয়ে কিছুটা হলেও আলাদা। বিগত নির্বাচনগুলোতে  এ আসনে দলের চেয়ে প্রার্থীর ইমেজই বেশি গুরুত্ব পেয়েছে ভোটারদের মাঝে। এখানে আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট প্রার্থী দপ্তরবিহীন মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত থাকায় আওয়ামী লীগ থেকে আর কেউ প্রার্থী হচ্ছেন না বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে বিএনপিতেও একই অবস্থা। সুরঞ্জিতবিরোধী যাঁরা আছেন তাদের সঙ্গে নিয়ে জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সাবেক সংসদ নাসির উদ্দিন চৌধুরী বিএনপির একক প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তবে দিরাই ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি তাহির রহমান চৌধুরী পাবেলের নামও শোনা যাচ্ছে। এছাড়া জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের আন্তর্জাতিক বিষয়ক (হেফাজত নেতা) মাওলানা শোয়াইব আহমদের নামও শোনা গেলেও আসনটিতে বিএনপি-আওয়ামী লীগের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বলে ধারণা করছেন পর্যবেক্ষক মহল।
সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নথপুর ও দক্ষিণ সুনামগঞ্জ) : প্রবাসী অধ্যুষিত এলাকা হওয়ায় এ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন আওয়ামী লীগের বর্তমান সাংসদ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য এমএ মান্নান, স¦াধীন বাংলাদেশের প্রথম পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুস সামাদ আজাদের পুত্র মেরিন ইঞ্জিনিয়ার আজিজুস সামাদ ডন, বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠসহচর সাবেক সাংসদ রইছ উদ্দিন আহমদের পুত্র জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ব্যারিস্টার এম এনামুল কবির ইমন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সিদ্দিক আহমদ, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাজিদুর রহমান ফারুক, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কাশেম, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হরমুজ আলী, সাবেক ছাত্রনেতা যুক্তরাজ্য প্রবাসী কমিউনিটি নেতা নজরুল ইসলামও তৃণমূল পর্যায়ে গণসংযোগ করছেন।
অন্যদিকে বিএনপির প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আতাউর রহমান, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি কর্নেল (অব:) আলী আহমদ, যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কয়সর এম আহমদ, সিলেট জেলা জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধাদলের আহ্বায়ক এম মালেক খান, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমদ, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সৌদি-আরব বিএনপির সাবেক সভাপতি জসিম উদ্দিন শামিম, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মল্লিক মইন উদ্দিন খান সোহেল, যুক্তরাজ্য বিএনপির সহ-সভাপতি ব্যারিস্টার আনোয়ার হেসেন, জেলা যুবদলের সভাপতি আনসার উদ্দিন।
তবে ইসলামী ঐক্য জোটের প্রার্থী সাবেক সাংসদ জমিয়তে উলামায়ে ইসলামীর কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব (হেফাজত নেতা) এ্যাডভোকেট মাওলানা শাহীনুর পাশাও গণসংযোগ ও তৃণমূলে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। অন্যদিকে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন প্রত্যাশী হলেন উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি সোনাহর আলী সুনু মিয়া।
সুনামগঞ্জ- ৪ (সদর ও বিশ্বম্ভরপুর) :  আওয়ামী লীগ থেকে এ আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বর্তমান সংসদ আলহাজ মতিউর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলহাজ নুরুল হুদা মুকুট, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলহাজ আফতাব উদ্দন, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ব্যারিস্টার এম এনামুল কবির ইমন, জেলা রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক ও ৭৫ পরবর্তী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আলহাজ পীর মতিউর রহমান, সাবেক সাংসদ আব্দুজ আহমদের পুত্র জুনেদ আহমদ ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আমির হেসেন রেজা।
এ আসনে বিএনপির প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন, জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক হুইপ আলহাজ ফজুল হক আসপিয়া, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি দেওয়ান জয়নুল জাকেরিন, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল লতিফ জেপি, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নাদের আহমদ, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আবুল মনসুর মুহাম্মদ শওকত, জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট আবদুল হক। জাতীয় পার্টির প্রার্থী তালিকায় আছেন জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ পিপি ও সাবেক সংসদ সদস্য দেওয়ান শামসুল আবেদিন।
সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক ও দোয়ারাবাজার) : এ আসনে আওয়ামী লীগের মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বর্তমান সাংসদ মহিবুর রহমান মানিক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা শামীম চৌধুরী, দোয়রাবাজার উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ফরিদ আহমদ তারেক ও যুক্তরাজ্য প্রবাসী কমিউনিটি নেতা আইয়ুব করম আলী।
এ আসনে বিএনপি থেকে যাদের নাম আসছে তারা হলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কালম উদ্দিন আহমেদ মিলন, ছাতক উপজেলা চেয়ারম্যান ও বিএনপি কেন্দ্রীয় কর্যনির্বাহী সংসদের সদস্য সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শিল্পপতি ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ মুনসেফ আলী। তবে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন হলে ১৮ দলীয় জোটের প্রার্থীতা দাবি করবেন জোটের অন্যতম শরীক খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক (হেফাজত নেতা) মাওলানা শফিক উদ্দিন আহমদ।
জাতীয় পার্টি থেকে যারা রয়েছেন তারা হলেন জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক আনম কনা মিয়া, দোয়ারাবাজার উপজেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম, ছাতক উপজেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট আবুল হাসান।
ইতোমধ্যে উভয় দলের প্রার্থীরা জেলার সকল উপজেলা গ্রামগঞ্জ ও হাট-বাজারে ব্যানার-ফেস্টুন বিলবোর্ড টানিয়ে নিজেদের প্রার্থিতার কথা প্রকাশ করেছেন। নতুন মনোনয়ন প্রত্যাশীদের দাবি, পৌণে ৫ বছরে উন্নয়নের নামে বর্তমান সংসদ সদস্যরা দলের নেতাকর্মীদের বাইরে রেখে তাদের নিজস্ব বলয় তৈরি করেছেন। একশ্রেণীর বেপরোয়া নেতাকর্মীদের প্রশ্রয় ও মদদ দানের কারণে দলের সুনাম বিনষ্ট হয়েছে। এ নিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে খোদ নিজ দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে এক ধরনের চাপা-ক্ষোভ বিরাজ করছে। তবে বর্তমান সংসদরা দাবি করছেন, তাদের নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন সাধন কারায় তাদের ইমেজ অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। তাছাড়া বিএনপিতে দীর্ঘদিনের দলীয় বিভাজনকে কাজে লাগিয়ে সহজেই এ আসনটিতে আওয়ামী লীগ প্রার্থীই পুন:নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায়না।
বিএনপির কমিটি গঠনসহ সভা-সমাবেশ, দলীয় কর্মকান্ড আলাদা আলাদাভাবে চলছে। এ নিয়ে বেশ কয়েকবার কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন। আসনটিতে বিএনপির অর্ন্তদ্বন্দ্ব নিরসন করা না গেলে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাদের মাশুল গুনতে হতে পারে।

Shamol Bangla Ads

 

Shamol Bangla Ads

Need Ads
error: কপি হবে না!