নীলফামারী প্রতিনিধি : বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামানূর এমপি বলেছেন “তৃণমূল পর্যায়ের মানুষকে স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত করতে বিগত বিএনপি জোট সরকার কমিউনিটি ক্লিনিক গুলো বন্ধ করে দিয়েছিল। পরবর্র্তীতে আওয়ামী লীগের মহাজোট সরকার ক্ষমতায় এসে সেগুলো পূনারায় চালু করে দেয়। আওয়ামী লীগ নির্বাচনের আগে যে প্রতিশ্র“তি দিয়েছিল বাস্তবায়ন করতে বদ্ধপরিকর। জনগণের কাছে দেয়া প্রতিশ্র“তি বাস্তবায়ন করে একটি মাত্র দল সেটা হচ্ছে আওয়ামী লীগ।
মঙ্গলবার দুপুরে নীলফামারী আধুনিক সদর হাসপাতালের স¤প্রসারিত ২৫০ শয্যার আট তলা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এমপি নূর আরোও বলেন, চলতি বছরের মধ্যে ডায়াবেটিক সমিতির উদ্যোগে নীলফামারীতে ৭৫ শয্যার একটি জেনারেল হাসপাতালের নির্মান কাজ শুরু হবে।
সিভিল সার্জন ডা. শওকত আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক এস.এম মাহফুজুল হক, পুলিশ সুপার জোবায়েদুর রহমান, নীলফামারী পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দেওয়ান কামাল আহমেদ, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিদ মাহমুদ, চেম্বার প্রেসিডেন্ট আব্দুল ওয়াহেদ সরকার, জেলা জজ আদালতের সরকারী কৌশলী (পিপি) অ্যাডভোকেট অক্ষয় কুমরা রায়, আওয়ামী লীগ নেতা মশফিকুল ইসলাম রিন্টু, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি দীপক চক্রবর্তীসহ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
এমপি নূর আরোও বলেন, ২০১২ সালে নীলফামারী হাইস্কুল মাঠের জনসভায় আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আপনাদের যে প্রতিশ্র“”তি দিয়েছিল নীলফামারী সদর হাসপাতালকে ১০০ থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণের তা আজ বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে। এই হাসপাতালে প্রায় ২০ লাখ মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিবে। বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য সেবায় যে উন্নয়ন ঘটিয়েছে তা অন্যকোন সরকারের আমলে হয়নি। বিএনপির জোট সরকারের আমলে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীরা ঔষধ পেতোনা, বাহির থেকে ঔষধ ক্রয় করে নিয়ে আসতে হতো রোগীর স্বজনদের। আজ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দেখুন হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত ঔষধ মজুদ রাখা হয়েছে রোগীদের জন্য। নীলফামারী গণপূর্ত বিভাগের তত্তাবধায়নে ২৮ কোটি ৫০ লাখ টাকার এ প্রকল্পের বাস্তবায়ন করছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কলাণ মন্ত্রনালয়।




