আজহারুল হক, গফরগাঁও : ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে পাঁচবাগ ইউনিয়নে হরতালের সমর্থনে পিকেটিং করার সময় হরতালকারীদের সাথে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দিনভর থেমে থেমে পুলিশের সাথে চলে এ সংঘর্ষ। এ সময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে অন্তত ৫০ রাউন্ড গুলি, টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও কাদানো গ্যাস ছোড়ে। গুলিতে ও ইটের আঘাতে উপজেলা ছাত্রদল যুগ্ন আহবায়ক এস এম সাকিব, পাঁচবাগ ইউনিয়ন ছাত্রদল আহবায়ক আরিফুল ইসলাম সজিব, স্বেচ্ছা সেবকদল সভাপতি আনিছুজ্জামান আসলাম, ইউপি সদস্য মানিক, আল এমরান, আসাদুজ্জামান রাজিব, সজিব,জসিম, রায়হান, ফুরকানসহ অন্তত ২৩ নেতা-কর্মী আহত হয়। এদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ ইউপি সদস্য মানিক, আনিছুজ্জামান আসলাম ও সজিবকে হোসেনপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে হরতালকারীদের ইটের আঘাতে উপজেলার পাগলা থানার এসআই আওলাদ হোসেন ও কনষ্টেবল তাহের আহত হয়। এছাড়াও হরতালকারীদের সশস্ত্র মিছিলের ছবি তুলতে গেলে গফরগাঁও পৌর এলাকার মাদ্রাসা মার্কেটের সামনে দৈনিক বর্তমানের সাংবাদিক আব্দুল মান্নান পল্টনের মোটর সাইকেল কুপিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করে হরতালকারীরা।
অপরদিকে উপজেলার দায়েরগাঁও, দুগাছিয়া, মহির খারুয়া, মতি মার্কেট, তেজপাতা মার্কেট, কাওয়া মারার বন্দে গাছের গুড়ি ফেলে যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে হরতালকারীরা। এ সময় মতি মার্কেটে একটি মোটরসাইকেলে আগুন ও কাওয়ামারার বন্দে একটি নছিমন ভাংচুর করে।
এ ব্যাপারে গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন ৫০ রাউন্ড গুলির কথা অস্বীকার করে বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে ২৬ রাউন্ড গুলি করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রয়েছে।




