এস.গুলবাগী, বগুড়া : বগুড়া শহরে শিবির অধ্যুষিত কয়েকটি এলাকায় দফায় দফায় অভিযান চালিয়ে ইসলামী ছাত্র শিবিরের পরিচালিত দুটি ছাত্রাবাসে অভিযান চালিয়ে ৪৬টি তাজা ককটেল ও ৬ বস্তা বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে পুলিশ। ১৪ অক্টোবর সোমবার ওই অভিযান চালানো হয়। এসময় শিবির সন্দেহে ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়। ওই অভিযানের প্রতিবাদে শিবির কর্মীরা বগুড়া সদর থানায় ককটেল হামলা চালিয়েছে। থানায় ছোঁড়া দুটি ককটেলের একটি বিস্ফোরিত হলেও এতে কেউ আহত হয়নি।
জানা গেছে, বগুড়ায় ছাত্র শিবিরের পক্ষ থেকে ব্যাপক নাশকতার ছক তৈরি করা হচ্ছে- গোপন সূত্রে এমন তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার দুপুর ১টায় বগুড়া পুলিশের সহকারী এএসপি (সার্কেল ) নাজির আহম্মেদ ও বগুড়া ডিবির ওসি মিজানুর রহমান এবং সদর থানার ওসি সৈয়দ সহিদের নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক পুলিশ শিবির পল্লী হিসেবে চিহ্নিত জামিলনগর ও মালগ্রাম এলাকায় ‘শাহসুলতান’ ও ‘ইফা রোজ’ ছাত্রাবাসে দফায় দফায় অভিযান চালায়। অভিযানকালে পুলিশ দু’টি ছাত্রাবাস থেকে ৪৬টি তাজা ককটেল, ৬ বস্তা ককটেল ও বোমা তৈরির জন্য মজুদ, বড় সাইজের পেরেক, গজাল, পিন, পাথরকুচি, মারবেল পাথর, টিনের তৈরি ছোটবড় জর্দার কৌটা এবং গান পাউডার, লোহার পাইপ, ছোরা, হাসুয়া উদ্ধার করে। এর আগে সেখান থেকে এরশাদ আলী, রবিউল, মাহমুদ, এনামূল (১), এনামূল (২), আরিফুল ও আবু রায়হান নামের দুই শিবির নেতা –সমর্থকসহ ৭ জনকে আটক করে। অন্য ২৫/৩০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের পর ছেড়ে দেয়া হয়। বিকাল ৪টা পর্যন্ত অভিযান চলে।
এদিকে অভিযান শুরুর আধাঘন্টা পরে বগুড়া সদর থানার ছাদে শিবির কর্মীরা দুটি শক্তিশালি ককটেল ছোঁড়ে। এরমধ্যে বিকট শব্দে ১টি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। অন্যটি অবিস্ফোরিত থাকে। এতে কেউ আহত হয়নি। পুলিশের ধারণা শিবির পল্লীতে পুলিশী অভিযানের জবাব দিতেই শিবির এটা করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে এটা বগুড়া সদর থানায় তৃতীয় দফার ককটেল হামলা।




