ads

বুধবার , ৬ ডিসেম্বর ২০১৭ | ২৬শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ঝিনাইগাতীতে লাইসেন্সবিহীন করাত কলগুলোতে অবাধে চিরাই হচ্ছে চোরাই কাঠ

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
ডিসেম্বর ৬, ২০১৭ ৮:৫৬ অপরাহ্ণ

Shamol Bangla Ads

ঝিনাইগাতী (শেরপুর) প্রতিনিধি ॥ ঝিনাইগাতী উপজেলায় লাইসেন্সবিহীন করাত কলগুলোতে অবাধে চিরাই হচ্ছে চোরাই কাঠ। নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ না থাকায় সরকারি বন উজাড় হবার পাশাপাশি সরকার বঞ্চিত হচ্ছে রাজস্ব আয় থেকে।
জানা যায়, ঝিনাইগাতী উপজেলায় ২৫টি করাতকল রয়েছে। এরমধ্যে ৬টি করাতকলের লাইসেন্স থাকলেও বাকী করাতকল গুলোর কোন লাইসেন্স নেই। নিয়ন্ত্রণহীনভাবে চলছে এসব করাতকলগুলো। এসব করাতকল স্থাপনা এলাকাগুলো হচ্ছে, পাগলার মুখ এলাকায় ৮টি, বাগেরভিটায় ৩টি, কুচনীপাড়ায় ২টি, পাইকুড়াতে ৪টি, তিনানী বাজারে ৮টি, কালিবাড়ী বাজারে ২টি ও জুলগাঁও এলাকায় ১টি। সরেজমিনে অনুসন্ধানে জানা গেছে, এসব করাতকল গুলোতে দিনেরাতে অবাধে গারো পাহাড়ের সংরক্ষিত বনাঞ্চলের শাল, গজারীসহ বিভিন্ন প্রজাতির হাজার হাজার ঘনফুট কাঠ চেরাই হচ্ছে। এসব করাতকল গুলো থেকে নিয়মিত মাসোহারা আদায় করছেন সংশ্লিষ্ট দপ্তরের এক শ্রেণীর অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারী। নিয়ম অমান্য করে স্থাপিত হয়েছে অনেক করাতকল। কোন কোন সময় ওই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবি অনুযায়ী মাসোহারা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে ওইসব করাতকল মালিকের নামে দেয়া হয় মিথ্যা মামলা ও করাতকল উচ্ছেদের নোটিশ। জানা গেছে, বাগেরভিটা জালাল উদ্দিনের ও আনোয়ার হোসেন মুক্তারের করাতকল ৩টি সরিয়ে নেওয়ার জন্যে রাংটিয়া রেঞ্জ কার্যালয়ের স্মারক নং- ২২.০১.০০০০.৬৩৫.২৮.০০১.১৭-৪৮২ মূলে পত্র প্রেরণ করা হয়। ১ মাসের সময়সীমা নির্ধারণ করে তা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তা সরিয়ে নেওয়া হয়নি। অজ্ঞাত কারনে সময়সীমা অতিবাহিত হবার পরেও বন-বিভাগের পক্ষ থেকে তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তিনানী বাজারের মিল মালিক আলহাজ্ব হাসমত আলী, আবু বক্কর, কালিবাড়ী বাজারের মিল মালিক সুরুজ্জামানসহ আরও কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তারা লাইসেন্স করার জন্যে ইচ্ছুক। এজন্য কাগজ-পত্রাদিও জমা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু নানা অজুহাতে বন-বিভাগের পক্ষ থেকে হয়রানী করার কারনে কেউ আর এখন লাইসেন্স করতে আগ্রহী হচ্ছে না।
এ ব্যাপারে রাংটিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুনের কথা হলে তিনি বলেন, করাতকল থেকে বন-বিভাগের কেউ সুবিধা আদায় করেন না। অবৈধ করাতকল মালিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Need Ads