শ্যামলবাংলা ডেস্ক : বিরোধী দলের টানা ৬০ ঘন্টার হরতাল শেষ। হরতাল পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে ৩১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সারাদেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ঘোষণা করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রাজনৈতিক সঙ্কটের আশঙ্কায় মানুষের উৎকণ্ঠার মধ্যে হরতাল শেষে বিকালে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১৮ দলের সংবাদ সম্মেলনে এসে ওই কর্মসূচি ঘোষণা করেন ফখরুল।

মঙ্গলবার রাতে দলের নীতি-নির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি ঠিক হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি নেতারা ।
সংবাদসম্মেলনে ফখরুল দাবি করেন, ৬০ ঘণ্টার হরতালে পুলিশসহ আওয়ামী লীগের কর্মীদের হামলায় বিরোধী দলের ১৮ জন নেতা-কর্মী খুন হয়েছেন। আহতের সংখ্যা ৭ হাজার ৫২ জন।
এছাড়া ২৬শ’ ৩০ জন গ্রেপ্তার এবং ৮২ হাজার নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে
বৃহস্পতিবার সব মহানগর, জেলা, উপজেলা সদরে বিক্ষোভ সমাবেশ হবে। নিহতদের স্মরণে গায়েবানা জানাজা হবে শুক্রবার জুমার নামাজের পর।

নয়া পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ সমাবেশের জন্য পুলিশকে চিঠি দেয়া হয়েছে বলে জানান ফখরুল। ঢাকায় গায়েবানা জানাজা হবে নয়া পল্টনে বিকালে।
কর্মসূচি ঘোষণা করে ফখরুল বলেন, তিন দিনের হরতালে পুলিশসহ আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত ও হামলার প্রতিবাদে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হল।
এছাড়াও সোমবার রাতে ঢাকায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের বাড়িতে গুলিবর্ষণ হয়েছে দাবি করে তার নিন্দাও জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে ফখরুলের সঙ্গে ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার, যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, আবদুস সালাম, সানাউলাহ মিয়া, আবদুল লতিফ জনি, শামীমুর রহমান শামীম, আসাদুল করীম শাহিন, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা প্রমূখ।




