নালিতাবাড়ী (শেরপুর) প্রতিনিধি : শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার বারমারী সাধু লিওর খ্রীষ্ট ধর্মপল্লীতে আসন্ন ১৮তম বাৎসরিক ফাতেমা রাণীর তীর্থ উৎসব উদযাপন উপলক্ষে ১৮ অক্টোবর রবিবার বিকেলে নিরাপত্তা বিষয়ক এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বারমারী ফাতেমা রাণীর তীর্থস্থানের তীর্থ উদযাপন কমিটির সমন্বয়ক রেভারেন্ট ফাদার মনিন্দ্র এম চিরানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একেএম ফসিহুর রহমান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন নালিতাবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ফজলুল হক ফজলু, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক শিল্পপতি মোশারফ হোসেন, দপ্তর সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি গোপাল চন্দ্র সরকার।
অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক সামেদুল ইসলাম তালুকদার, ট্রাইভাল ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশনের চেয়াম্যান মি. লুইস নেংমিনজা, পোড়াগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বন্দনা চাম্বুগং, পোড়াগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান আজাদ মিয়া, নুর রহমান, আমান উল্লাহ বাদশা, তীর্থ কমিটির কো-অর্ডিনেটর রেভারেন্ট ফাদার ফিদেলিস নেংমিনজা, বিজিবি বারমারী কোম্পানী কমান্ডার লোকমান হোসেন, জন মাংসাং প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, তীর্থের সময় এখানে হাজার হাজার নারী-পুরুষ তীর্থ যাত্রীরা অংশগ্রহণ করে থাকেন। তাই তাদের নিরাপত্তার বিশেষ প্রয়োজন। আসন্ন তীর্থউৎসবকে সফল করতে আইনশৃঙ্খলা রাকারী বাহিনীরও বিশেষ ভুমিকা রয়েছে। তাই দেশের ও দেশের বাইরের খ্রীষ্টভক্তদের অন্যতম তীর্থউৎসব যাতে নির্বিগ্নে করতে পারে এজন্য প্রশাসনের প থেকে র্যাব, পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও গ্রাম পুলিশ মোতায়েন করার জন্য অনুরোধ জানান। থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একেএম ফসিহুর রহমান জানান এবারে তীর্থ উৎসবে ভ্রাম্যমান আদালত সার্বনিক কাজ করবে।
উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সাল থেকে বারমারী খ্রিষ্টান ধর্মপল্লীতে প্রতিবছর ভিন্ন ভিন্ন মুল সুরের উপর ভিত্তি করে খ্রিষ্টভক্তদের তীর্থউৎসব পালিত হয়ে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় এ বছরও আগামী ২৯-৩০ অক্টোবর বৃহস্পতি ও শুক্রবার ‘শান্তি, মিলন ও ভালবাসার উৎস ফাতেমা রাণী মা-মারীয়া’ এই মুলভাবের উপর ভিত্তি করে তীর্থ উৎসব পালিত হবে।




