স্টাফ রিপোর্টার : সারাদেশের ন্যায় কেন্দ্রীয় ২০ দলের ডাকা বিক্ষোভ মিছিলের অংশ হিসেবে শেরপুরে বিএনপি বিক্ষোভ মিছিল বের করলে পুলিশের বাঁধার মুখে তা পন্ড হয়ে যায়। ওইসময় পুলিশের সাথে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় শহর বিএনপি’র আহ্বায়ক এডভোকেট আব্দুল মান্নানসহ ১০ নেতা-কর্মী আহত হয়।

জানা যায়, ৫ মার্চ বৃহস্পতিবার বিকেলে ৪ টায় বিএনপি’র বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দদের নেতৃত্বে শহরের বিভিন্ন মোড় থেকে পৃথক পৃথক বিক্ষোভ মিছিল বের করে জেলা বিএনপি’র কার্যালয়ে জড়ো হতে থাকে। এসময় শহরের রঘুনাথ বাজার রুপকথা সিনেমো হল মোড় এলাকায় সদর উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক মো. হযরত আলীর নেতৃত্বে একটি মিছিল বের হলে পুলিশ বাঁধা দেয়। এসময় বিক্ষোভকারীদের সাথে পুলিশের ধস্তাধস্তি হয় এবং এক পর্যায়ে বিএনপি নেতারা পুলিশের বাঁধা অতিক্রম করে মিছিলটি দলীয় কার্যালয়ের দিকে আসতে শুরু করলে বিক্ষোভকারীদের সাথে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এতে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের উপর লাঠি চার্জ করলে বিক্ষোভকারীরাও পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এসময় পুলিশের লাঠির আঘাতে শহর বিএনপি’র আহ্বায়ক আব্দুল মান্নানসহ ১০ জন আহত হয়। এসময় বিুব্ধ বিএনপি কর্মীরা শহরের গরুহাটি মহল্লায় একটি ট্রাক ও একটি অটোরিক্সা ভাঙ্গচুর করে।
এদিকে জেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক মামুনুর রশিদ পলাশের নেতৃত্ব অপর একটি মিছিল পুলিশের বাঁধা অতিক্রম করে জেলা বিএনপি’র কার্যালয়ে প্রবেশ করে এবং সেখানে সভা ও শ্লোগান দেয়। পরে পুলিশ সেখানে তাদের অবরুদ্ধ করে রাখার পর মিছিল-সমাবেশ না করার শর্তে কার্যালয় থেকে তাদেরকে বের হতে দেয়। এদিকে পুলিশ-বিএনপি নেতা-কর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় শহরে আতংক ছড়িয়ে পড়লে বেশ কিছুক্ষন দোকানপাট ও যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে শহরে পুলিশসহ বিজিবি ও র্যাবের টহল শুরু হলে পরিস্থিতি শান্ত হয়। তবে ওই ঘটনায় কাউকে আটক বা গ্রেফতার করা হয়নি।




