শ্যামলবাংলা ডেস্ক : থাইল্যান্ডের সেনাপ্রধান জেনারেল প্রায়ুথ চান-ওচা সরকারের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। দেশে সামরিক আইন জারির দুদিনের মাথায় ২২ মে বৃহস্পতিবার এক টিভি সম্প্রচারে তিনি জানান, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করা এবং রাজনৈতিক সংস্কার কাজের জন্য সেনাবাহিনী সরকারের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। টিভি ঘোষণায় প্রায়ুথ বলেন, পরিস্থিতি খুব শিগগিরই স্বাভাবিক করা, সমাজে শান্তি ফেরানো… এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাঠামোর কাঠামোগত সংস্কার কাজ করার জন্য সামরিক বাহিনীর ক্ষমতা নেয়া প্রয়োজন। থাইল্যান্ডে ৬ মাসের সরকার বিরোধী বিক্ষোভের সমাধান খুঁজতে প্রতিদ্বন্দ্বী সব দলের সঙ্গে বৈঠক করার পর ক্ষমতা দখলের এ ঘোষণা দিলেন প্রায়ুথ। এ পদক্ষেপে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ক্ষুন্ন হবে না বলে জানিয়েছেন তিনি।
ব্যাংককে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সভাস্থলগুলো সিল করে দিয়ে নেতাদের সরিয়ে নিয়েছে সেনাবাহিনী। কয়েকমাসের রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা এবং মঙ্গলবার সামরিক আইন জারির পর সেনাবাহিনী এ পদক্ষেপ নেয়। সেনারা সরকার বিরোধী বিক্ষোভকারীদের নেতা সুদেপ থাকসুবানকে বৈঠক থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার পরপরই সেনাপ্রধান টিভিতে ওই ঘোষণা দেন। ঊর্ধ্বতন এক সেনা কর্মকর্তা বলেছেন, সমাবেশস্থল থেকে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দিতে সেনাবাহিনী সেনা ও যান পাঠাচ্ছে।
থাই সাংবিধানিক আদালত এ মাসের শুরুর দিকে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়াতকে পদত্যাগের নির্দেশ দেয়। কিন্তু ইংলাকের পদত্যাগের পরও ক্ষমতায় থাকা তার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চলে আসছিল।




