তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা প্রতিনিধি : কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা সদরের এক বাড়ির সদ্য নির্মিত সেপটি ট্যাংকের ভেতর অক্্িরজেন সল্পতার কারনে দম বন্ধ হয়ে নির্মাণ শ্রমিকসহ ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে এ দুঘর্টনা ঘটে বলে প্রত্যক্ষদূর্শীরা জানান। চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম মোর্শেদ জানান, দুপুরে বাশেঁর খুঁটি সরানোর জন্য শহরের এক বাড়ির সদ্য নির্মিত সেপটি ট্যাংকের ভেতরে যান নির্মাণ শ্্রমিক কালাচাঁন। ট্যাংকের ভেতর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে উদ্ধার করতে জব্বার মিয়া ট্যাংকের ভেতরে যান। এরপর দীর্ঘ সময় পার হলেও তারা বের না হওয়ায় স্থানীয়রা চান্দিনা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট এসে তাদের উদ্ধার করে। তাদের চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্ত্যবরত চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করেন। নিহতরা হলো, চান্দিনা সদরের জব্বার মিয়া (৩৫)এবং ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার বাসিন্দা নির্মাণ শ্্রমিক কালাচাঁন (৩০)।
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় তিন সন্তানের জননীকে হত্যা!

কুুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মনগোজ গ্রামে এক প্রবাসীর স্ত্রী তিন সন্তানের জননীকে হত্যার অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করেন তার চাচা। জানা যায়, গত সোমবার রাতে উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের মনগোছ গ্রামের বারেক মেম্বারের বাড়ীর বাহরাইন প্রবাসী সাইদুল ইসলামের স্ত্রী হারিজা বেগম(৩০) অসুস্থ্য হয়ে গেলে শ্বশুর বাড়ীর লোকজন প্রথমে তাকে দেবিদ্ধার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে কুমিল্লা কুচাইতলী হাসপাতালে নেবার পথে সে মারা যায়। তার তিনটি ছেলে সন্তান রাকিব(৮), রাব্বি(৬) ও ছাব্বির(৪) রয়েছে। মার আকষ্মিক মৃত্যুতে হতবম্ভ হয়ে গেছে তারা। গতকাল ২০ মে মঙ্গলবার ভোরে ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যেয়ে পরিবারের কোন সদস্যকে দেখতে না পেয়ে লাশ প্রথমে থানায় আনে। পরে ময়না তদন্তের জন্য কুমিল্লা হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করে। মৃত হারিজার চাচা ছোটধুশিয়া গ্রামের রেহান উদ্দিন বাদী হয়ে ব্রাহ্মণপাড়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন সাইদুলের সাথে হারিজার প্রায় ১২ বছর পূর্বে বিয়ে হয়। গত ৪ বছর পূর্বে সাইদুর বাহরাইন চলে যাবার পর থেকেই হারিজাকে তার শ্বশুর বাচ্চু মিয়া ও শ্বাশুড়ী মনোয়ারা বেগম প্রায়ই মারধর করত। বিশেষ করে বিদেশের টাকা-পয়সার হিসাব নিয়ে তাদের মধ্যে অনেক কথা কাটাকাটি হত। তারাই পরিকল্পিতভাবে তাকে মেরে আতœহত্যা বলে চালিয়ে দেবার পায়তারা করছে। তিনি আক্ষেপ করে বলেন তারা যদি তাকে না মারত তবে তারা লাশ ফেলে বাড়ী থেকে পালালো কেন। থানার এসআই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোঃ কামরুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এ প্রতিনিধিকে জানান, ময়নাতদন্তের জন্য লাশ গতকাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পেলে প্রকৃত ঘটনা বের হয়ে আসবে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।




