ads

সোমবার , ১২ মে ২০১৪ | ৩রা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুর জেলা হাসপাতালে ডাক্তার-নার্সের অবহেলায় গর্ভবতী মহিলার মৃত্যু : ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
মে ১২, ২০১৪ ৪:৪৮ অপরাহ্ণ

Sherpur _ Sipra-Rani-Dasস্টাফ রিপোর্টার : শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে চিকিত্সক ও নার্সদের অবহেলায় শিপ্রা রানী দাস (২২) নামে একজন গর্ভবতী মহিলার মৃত্যু হয়েছে। ১২ মে সোমবার সকালে ওই ঘটনা ঘটে। ওই গর্ভবতী মহিলা শেরপুর শহরের গোপালবাড়ী মহল্লার দরিদ্র ট্রাক শ্রমিক অতুল দাসের মেয়ে। ওই ঘটনায় দায়িত্বরত ডাক্তার-নার্সদের শাস্তির দাবিতে ওই গর্ভবতী মহিলার আত্মীয়-স্বজনরা জড়ো হলে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে সিভিল সার্জন ডাঃ নারায়ন চন্দ্র দে হাসপাতালে ছুটে গিয়ে ঘটনা তদন্তে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেন। 

Shamol Bangla Ads

মারা যাওয়া গর্ভবতী মহিলা রানী দাসের মা শেফালী দাস ও শাশুড়ী ফুলন দাস অভিযোগ করে জানান, প্রসব ব্যথা ওঠার পর রবিবার রাত ১টার দিকে ওই গর্ভবতী মহিলাকে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে গাইনী ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। ভর্তির পর ডিউটিরত চিকিত্সক ও নার্সরা ওই রোগীর কোন চিকিত্সা দেয়নি এবং গাইনী বিভাগের বিশেষজ্ঞকে বিষয়টি জানাননি। সকালের দিকে রোগীর অবস্থার অবনতি হলে অনেক ডাকাডাকির পর একজন নার্স সোমবার সকাল ৬টার দিকে ওই গর্ভবতী রোগীকে একটি ইনজেকশন দেন। ইনজেকশন দেয়ার দু’চার মিনিটের মধ্যে ওই গর্ভবতী মহিলা মারা যায়। মারা যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিত্সক তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্যে কাগজ লিখে দেন। ওই গর্ভবতী মহিলার মৃত্যুর পর হাসপাতাল এলাকায় স্বজনদের কান্না আহাজারীতে সেখানের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠে। এ সময় রোগীর আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশিরা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন এবং এর সঙ্গে চিকিত্সক ও নার্সদের শাস্তি দাবি করেন। ওইসময় হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে সিভিল সার্জন জেলা সদর হাসপাতালের কার্ডিওলজির সিনিয়র কনসালটেন্ট ডাঃ মাহমুদুল ইসলাম সিনহাকে প্রধান করে ৩ সদস্যের তদন্ত টিম গঠন করে পরিস্থিতি সামাল দেন। কমিটির অপর দুই সদস্য হচ্ছেন নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্সের জুনিয়র গাইনী কনসালটেন্ট ডাঃ আফসানা রওশন ও শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্সের জুনিয়র গাইনী কনসালটেন্ট ডাঃ রেবেকা সুলতানা। ওই কমিটিকে ৭ দিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। সিভিল সার্জন ডাঃ নারায়ণ চন্দ্র জানান, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অবহেলার প্রমান পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ব্যাপারে শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাজহারুল করিম বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। তবে এখনও অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেব।

Need Ads
error: কপি হবে না!