শ্যামলবাংলা স্পোর্টস : জাতীয় ক্রিকেট দলের কোচ শেন জার্গেনসেন বাংলাদেশে ফিরে জানিয়েছেন, আবেগতাড়িত হয়ে নয়; ভেবে চিন্তেই পদত্যাগ পত্র দিয়েছেন তিনি। ১ মে বৃহস্পতিবার অস্ট্রেলিয়া থেকে ফিরে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে জার্গেনসেন বলেন, আবেগপ্রবণ হয়ে এই সিদ্ধান্ত নেইনি, ভেবে চিন্তেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এর আগে বিসিবির গণমাধ্যম ও যোগাযোগ কমিটির সভাপতি জালাল ইউনুস কোচের পদত্যাগ পত্র পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় বলেছিলেন, তার ধারণা আবেগতাড়িত হয়ে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জার্গেনসন।
আপাতত ভারতের বিপক্ষে জুনের ৩ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ নিয়েই সব ভাবনা অস্ট্রেলিয়ার এই কোচের। বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করে পদত্যাগের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানান তিনি।
বাংলাদেশের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম জানিয়েছেন, জার্গেনসেনের ওপর আস্থা রয়েছে তার। দেশে ফিরলে কোচের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত বদলানোর চেষ্টা করবেন তিনি।
বোর্ড পরিচালকদের কোন মন্তব্যে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত কি না, এমন প্রশ্ন উড়িয়ে দিয়েছেন জার্গেনসেন। তিনি জানান, এইসব কিছুই তার সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলেনি। বিশ্ব ক্রিকেটে তার কাজের আরও ক্ষেত্র রয়েছে। সে সব বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ কোচের।
উলেখ্য, গত সোমবার ই-মেইলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ক্রিকেট পরিচালনা কমিটির সভাপতি আকরাম খানের কাছে পদত্যাগ পত্র পাঠান জার্গেনসেন।
স্টুয়ার্ট ল দায়িত্ব ছাড়ার পর অন্তর্র্বতীকালীন কোচ হিসেবে ২০১২ সালের মেতে অন্তবর্তীকালীন কোচের দায়িত্ব নেন জার্গেনসেন। পরে জুনে রিচার্ড পাইবাস দায়িত্ব নিলে বোলিং কোচের দায়িত্বে ফিরে যান জার্গেনসেন। অক্টোবরে পাইবাসের বিদায়ের পর আবার অন্তর্র্বতীকালীন কোচের দায়িত্বে ফেরেন জার্গেনসেন। ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে জার্গেনসেনকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রধান কোচ ঘোষণা করে বিসিবি। পরে জুলাইয়ে ২০১৫ ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারার পর এশিয়া কাপে চারটি ম্যাচেই হারে বাংলাদেশ। এই ৪টি হারের একটি ছিল আবার আফগানিস্তানের বিপক্ষে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল পর্বে একটি ম্যাচও জিততে পারেনি বাংলাদেশ। প্রথম পর্বে হংকংয়ের বিপক্ষে হারটিও অনেকেই মেনে নিতে পারেনি।




