মোঃ ফারুক হোসেন, ঢাকা : আগামী ৬ মাসের মধ্যে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের মাধ্যমে বিটিসিএলকে সম্পূর্ণ পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে রূপান্তর করে প্রতিষ্ঠানটিকে রক্ষার আহ্বান জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ টিআইবি। বুধবার রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন
কোম্পানি লিমিটেড সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায় শীর্ষক ফলোআপ প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই আহ্বান জানানো হয়। এতে মূল প্রতিবেদনের সারাংশ উপস্থাপন করেন গবেষণা ও পলিসি বিভাগের প্রোগ্রাম ম্যানেজার দীপু রায়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন টিআইবির ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য এম. হাফিজউদ্দিন খান, টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতে খারুজ্জামান,উপনির্বাহী পরিচালক ড.সুমাইয়া খায়ের এবং গবেষণা ও পলিসি বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল হাসান। গবেষণার তথ্য অনুযায়ী অধিকতর দক্ষ ও মুনাফা ভিত্তিক করার লক্ষ্যে ২০০৮ সালে বিটিটিবিকে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি বিটিসিএল হিসেবে ঘোষণা করা হলেও পরিকল্পনায় ঘাটতি এবং বাস্তবায়নজনিত দুর্বলতার কারণে প্রতিষ্ঠানটি কার্যকর পাবলিক লিমিটেড
কোম্পানি হিসেবে প্রত্যাশিত ফলাফল অর্জন করতে পারেনি। গবেষণায় আরো উঠে আসে নতুন অর্গানোগ্রাম অনুসারে লোক নিয়োগ না হওয়া ও দক্ষ জনবলের অভাব রাজনৈতিক প্রভাব এবং প্রাইভেট কোম্পানির স্বার্থ সংশ্লিষ্ট টেলিযোগাযোগ নীতিমালা বাস্তবায়নসহ নানাবিধ অনিয়ম ও দুর্নীতির ফলে লাভজনক হওয়ার পরিবর্তে বিপুল পরিমাণে রাজস্ব হারাচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য এম হাফিজ উদ্দিন খান বলেন, বিটিসিএলকে কোম্পানিতে পরিণত করার পর প্রতিষ্ঠানটির গ্রাহক সেবার মান উন্নয়নের বদলে নিম্মগামী হয়েছে। কোম্পানিতে পরিবর্তন করে শুধু লাভ নয় বরং গ্রাহক সন্তুষ্টি এবং সেবার মান উন্নয়নে মনোনিবেশ করা অত্যন্ত জরুরি। টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতে খারুজ্জামান বলেন, সরকারের যুক্তি ছিল বিটিসিএল বেসরকারিকরণ হলে অধিকতর দক্ষ ও মুনফাভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে। কিন্তু বেসরকা রিকরণ করা হলেও সরকারের যথাযথ কর্মপরিকল্পনার অভাবে অকার্যকর ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।




