এ কিউ রাসেল, গোপালপুর (টাঙ্গাইল) : টাঙ্গাইলের গোপালপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ১৩ এপ্রিল রবিবার দিনভর সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ওই ঘটনায় পুলিশসহ অন্তত: ১৫ জন আহত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে পুলিশ রাবারবুলেট ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে এবং ৭জনকে আটক করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখতে শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

গোপালপুর থানার ওসি মো. শহিদুলাহ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গোপালপুর পৌরশহরের সুন্দর ২নংওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও শ্রমিক নেতা মো. জলিল ফকিরের স্কুল পড়–য়া ২ ছেলে কবির (৮) স্কুলে যাওয়ার পথে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করেশহরের সওদাগরপট্রির এলাকায় রবিবার সকাল ৯টার দিকে মারধর করে স্থানীয় বাসিন্দরা। খবর পেয়ে বড়ভাই সাগর (১৫) এ বিষয়ে ওই এলাকায় জানতে গেলে তাকেও মারধর করে এবং বেলা ১০টার দিকে সুন্দর এলাকার রফিকুল, হাফিজুর ও মাছুদের দোকানে সওদাগররা হামলা চালায় এবং দোকানপাট ভাঙচুর, লোপাট ও পিটিয়ে ব্যবসায়ীদের আহত করে।
এখবর ছড়িয়ে পড়লে সুন্দর ও ভূঞারচক এলাকার লোকজন যৌথভাবে হামলা চালায় সওদাগরপট্রি এলাকায়। এসময় সওদাগরপট্রি এলাকার ১০-১৫টি দোকান ও বসতঘর ভাঙচুর, লোপাট এবং অগ্নিসংযোগ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনতে গোপালপুর থানা পুলিশ, টাঙ্গাইল হতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয় এবং ৩০ রাউন্ড টিয়ারসেল ও রাবারবুলেট নিক্ষেপ করে। আগুন নিভাতে মধুপুর হতে দমকল বাহিনীর লোকজন যোগদেয়। দিনভরের সংষর্ষে ১জন পুলিশ সদস্যসহ ১৫জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। আহতদের গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত থাকার সন্দেহে পুলিশ ৭জনকে আটক করেছে।
গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানজিনা ইসলাম ও টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইউসুফ আলী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তবে রবিবার বিকেলে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত শহরের থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।




