ads

বুধবার , ৯ এপ্রিল ২০১৪ | ১লা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

রায়পুরার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও এখনো ৩১ শয্যায়ই চলছে

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
এপ্রিল ৯, ২০১৪ ৬:৪৯ অপরাহ্ণ

Narsingdi Pictureএম লুত্ফর রহমান, নরসিংদী : নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ ৩৬ বছরেও উন্নয়নের মুখ দেখছে না। সামপ্রতিক কালে কমপ্লেক্সটিকে ৩১ শয্যা থেকে কাগজে পত্রে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও লোকবল ও চিকিত্সা উপকরনের অভাবে তা এখনো ৩১ শয্যায়ই রয়ে গেছে। প্রতিদিন হাজার হাজার রোগী হাসপাতালে এসে টিকিট কেটে ডাক্তার পাচ্ছে না। পাচ্ছেনা প্রয়োজনীয় ঔষধ। যার কারণে উপজেলার সাড়ে ৮ লাখ মানুষ আধুনিক চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি উন্নয়ন তথা রায়পুরার লাখ লাখ মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে কেউ এগিয়ে আসছে না।

Shamol Bangla Ads

জানা গেছে, ৬০ দশকের মধ্যভাগে প্রতিষ্ঠিত রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি নির্মাণকালীন ৫ জন ডাক্তার, ৬/৭ জন যাত্রী নিয়ে যাত্রা শুরু করে। পরে ৯ জন ডাক্তার, ১১ জন নার্স নিয়ে স্বাধীনতার পর নতুন করে যাত্রা শুরু করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি । এই ৯ জন ডাক্তারের মধ্যে বর্তমানে ২ জন ডাক্তারের পদ শূন্য অবস্থায় পড়ে রয়েছে এবং ২ জন ডাক্তার প্রেষণে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চাকুরী করছে। এই দুজন ডাক্তার হচ্ছেন ডা. নার্গিস রহমান ও ডা. রিদ্দিতা সুহানা সাদিক। এছাড়াও প্রায় সময়ই কোনো না কোন ডাক্তার হাসপাতালে অনুপস্থিত থাকে। গতকাল সোমবার সকালে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ডা. মোস্তফা কামাল উদ্দিন খান হাসপাতালে উপস্থিত নেই। তার চেম্বার তালাবদ্ধ। এছাড়াও ১১ জন নার্সের মধ্যে একটি পদ শূন্য এবং ২ জন রয়েছে প্রেষণে।
এ ছাড়া উপজেলার ২৪টি ইউনিয়নে ২৪ টি মুঞ্জুরিকৃত পদ থাকলেও কমিউনিটি ক্লিনিকে ২০ জন সহকারী সার্জনকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৪টি কমিউনিটি সেন্টারে ৪ ডাক্তারের পদ শূন্যবস্থায় পড়ে রয়েছে। এছাড়া ৪ জন প্রেষণে নরসিংদীতে কর্মরত রয়েছেন। যার ফলে এসব কমিউনিটি সেন্টারগুলোতে রোগীরা কোনো সরকারী সেবা পাচ্ছে না। এলাকার লোকজন জানিয়েছে গ্রামের লোকজনের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার জন্য অর্থাৎ সরকারী স্বাস্থ্য সেবা জনগনের দৌড়গড়ায় পৌছে দেয়ার জন্য কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো স্থাপন করা হলেও এর উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রোগীরা ক্লিনিকগুলোতে গিয়ে সঠিক সময়ে ডাক্তার পাচেছ না। পাচ্ছে না সরকারের বরাদ্ধকৃত ঔষুধও। ডাক্তার, চিকিৎসা সামগ্রী ও ওষধের অভাবে এসব কমিউনিটি ক্লিনিকে কোন চিকিৎসা হচ্ছে না। সরেজমিনে গিয়েও বিভিন্ন কমিউনিটি ক্লিনিক তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখতে পাওয়া গেছে।
সচেতন লোকজন জানিয়েছে, ডাক্তারদেরকে সহকারী সার্জন হিসেবে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে নিয়োগ দেয়া হলেও প্রভাবশালী পরিবার ও রাজনৈতিক প্রভাবাধীন এসব ডাক্তাররা গ্রামে চাকুরী করতে চাইছে না। তারা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন বড় বড় হাসপাতালে প্রেষণে গিয়ে চাকুরী করছে। তাদের বিরুদ্ধে কোন লেখা লেখি করলেও কোন কাজ হচ্ছে না।
এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান, যারা প্রেষণে চাকুরী করে তারা আমার চেয়ে অনেক প্রভাবশালী। তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ আমার পক্ষে বা সিভিল সার্জনের পক্ষেও সম্ভব নয়। ৩১ শয্যার হাসপাতালটি ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও এখানে ট্যাক্স ছাড়া অন্য কোন উন্নয়ন সাধন হয়নি।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!