স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের শেরপুর শাখা থেকে ৮২ লাখ টাকা আত্মসাত করে উধাও হয়েছেন এক সিবিএ নেতা। ওই ঘটনায় ৮ এপ্রিল মঙ্গলবার রাতে সদর থানায় একটি মামলা হয়েছে। এছাড়া ঘটনার বিষয়ে ৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি কাজ করছে। এনিয়ে ব্যাংকপাড়াসহ শহরে ব্যাপক তোলপাড় চলছে।
জানা যায়, শেরপুর সদর উপজেলার বেতমারী এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা এবং শহরের নবীনগর এলাকায় বসবাসকারী মিজানুর রহমান দীর্ঘ প্রায় ৪ বছর যাবত কৃষি ব্যাংকের শেরপুর শাখার পরিদর্শক ও ব্যাংকের আওয়ামী সমর্থক সিবিএ সংগঠনের জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদকসহ স্থানীয় বেতমারী, ঘুঘুরাকান্দি এবং পৌর এলাকার তাতালপুর, মোবারকপুর, মিরগঞ্জ, নৌহাটা, গৌরীপুর, সজবরখিলা এলাকায় ঋণ বিতরণ ও আদায়ের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। তিনি সংশ্লিষ্ট এলাকার ঋণ আদায়ের প্রায় ৫২ লাখ টাকা আত্মসাত করে ২৩ মার্চ থেকে কর্তৃপক্ষের বিনাঅনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকে লাপাত্তা হন। বিষয়টি অবগত হওয়ার পর সোমবার ময়মনসিংহ অঞ্চলের জিএম মো. সামছুল আলম শেরপুরের ওই শাখায় এসে প্রাথমিক তদন্ত করে ঋণ আদায়ের ৫২ লাখ টাকাসহ তার নিজের ঋণের ৩০ লাখ টাকা আত্মসাতের সত্যতা পান। এরপর ওই ঘটনায় সহকারী মহা-ব্যবস্থাপক রবিউল ইসলামকে প্রধান করে ৪ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলসহ পরিদর্শক মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। এরপর শাখা ব্যবস্থাপক মতিউর রহমান বাদী হয়ে মঙ্গলবার রাতে শেরপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
এদিকে ওই সিবিএ নেতার স্ত্রী ফরিদা রহমান জানিয়েছেন, বাসার লোকজনকে কিছু না জানিয়েই প্রায় ১৬ দিন যাবত তার স্বামী নিখোজ রয়েছেন। তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ থাকায় আত্মীয়-স্বজনসহ বিভিন্ন জায়গায় খোজ নিয়েও তার হদিস না পাওয়ায় তারাও উদ্বেগ ও আতঙ্কে রয়েছেন।




