ads

রবিবার , ৬ এপ্রিল ২০১৪ | ১লা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

হারিয়ে যাচ্ছে প্রকৃতির সুইপার

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
এপ্রিল ৬, ২০১৪ ১২:৩৬ অপরাহ্ণ

abul kashem pictureআবুল কাশেম, টাঙ্গাইল : কয়েক বছর আগেও খোলা আকাশের দিকে তাঁকালে দেখা মিলতো দুই ডানা মেলে উড়ে বেড়ানো শকুনের। কিন্তু বর্তমানে সারাদিন আকাশের দিকে তাঁকিয়ে থাকলেও শকুনের দেখা মেলা ভার। পরিবেশ দূষণের কারণে হারিয়ে যাচ্ছে শিকারী এ পাখিটি।

Shamol Bangla Ads

জানাযায়, শীতকালে হিমালয় অঞ্চলের তাপমাত্রা কমে গেলে ‘হিমালয়ান গ্রিফন ভালচার’ প্রজাতির শকুন বিভিন্নাঞ্চলে এলেও আগের মতো বড় বৃক্ষরাজি না থাকা ও জমিতে কীটনাশক ব্যবহার করায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এ অঞ্চলে তাদের বসবাস।
বিশেষজ্ঞরা জানান, গবাদি পশু ও কৃষি জমিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় কিডনি নষ্ট হয়ে মারাও যাচ্ছে এসব শকুন। শুধু শকুন নয় কীটনাশকের ব্যবহারের ফলে শকুনসহ অনেক প্রজাতির পাখিই হারিয়ে যেতে বসেছে। আর এতে প্রাকৃতিক ভারসাম্য বিনষ্ট হচ্ছে।
বন্যপ্রাণী বিশারদরা বলছেন, এক সময়ে এ অঞ্চলে কয়েক প্রজাতির শকুন বসবাস করতো। কিন্তু ভারসাম্যহীন প্রকৃতিতে বর্তমানে শকুনের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পাচ্ছে। গবাদি পশুর চিকিৎসায় ব্যবহৃত ডাইক্লোফেনাক জাতীয় ওষুধের প্রতিক্রিয়ায় শকুনের কিডনি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে এর বিলুপ্তি তরান্বিত হচ্ছে।
শকুন, চিল, বাজ, ঈগল, পেঁচাসহ বৃহদাকার শিকারী ও মাংশাসী প্রজাতির পাখির খাদ্যাভাব, বাসা তৈরি, বসবাস ও প্রজননের জন্য প্রয়োজীনয় উঁচু ও পুরাতন বৃক্ষ নিধন, বন উজাড়, প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য বিনষ্টও এদের বিলুপ্তির কারণ। আজ থেকে মাত্র ১৫/ ২০ বছর আগেও টাঙ্গাইলে দেখা যেত প্রচুর শকুন। শকুনের প্রধান খাদ্য হচ্ছে মৃত প্রাণির দেহ। আর গ্রামাঞ্চলে ইতোপূর্বে রোগ-ব্যধিতে গবাদিপশু মারা গেলে তা ফেলে দেয়া হতো বিলের বা নদীতে । তখন প্রকৃতির এই সুইপার পাখি শকুন ঝাঁকবেঁধে উড়ে এসে মৃত পশুর দেহ খেয়ে সাবার করতো । আর সে জন্যেই অনেকে এই শকুনকে সুইপার পাখি বলে মনে করতো । কিন্তু কালের আবর্তে তা আজ হারিয়ে যাচ্ছে।
খুলা আকাশে বিশাল ডানা মেলে ঝাাঁকে ঝাঁকে উড়া এই পাখি এখন আর দেখা যায়না । শকুন সাধারণত উচু গাছে বাসা বেধে ডিম পারতো। ডিম ফুটে বাচ্চা হলেই আবার অন্যত্র চলে যেত । শকুনের প্রচুর হজম শক্তি । প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় শকুনের প্রয়োজন অপরিহার্য বলে দাবী পরিবেশবিদ গনের । শকুক ৫-৭ কিলোমিটার পর্যন্ত উপরে উঠেও অত্যান্ত নিখুঁত ভাবে খাবারের অবস্থান নিশ্চিত করতে পারে । এখন এমন অবস্থা হয়েছে যে , আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এই দীর্ঘজীবি প্রাণিটিকে আর হয়তো বা চোখেই দেখবে না ।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!