ads

বৃহস্পতিবার , ৯ জুলাই ২০২৬ | ২৫শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

কক্সবাজার ও বান্দরবানে পাহাড়ধসে ৭ জনের মৃত্যু

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
জুলাই ৯, ২০২৬ ১:৫৩ অপরাহ্ণ

কক্সবাজারের চকরিয়া ও পার্বত্য জেলা বান্দরবানে ভারী বর্ষণের মধ্যে পৃথক পাহাড়ধসের ঘটনায় শিশুসহ সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে চকরিয়ার বরইতলী ইউনিয়নে দুই শিশু এবং বান্দরবানের লামা উপজেলায় একই পরিবারের তিনজনসহ পাঁচজন মারা গেছেন। টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ধস ও বন্যার ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে প্রশাসন।

Shamol Bangla Ads

চকরিয়ায় পাহাড়ধসে দুই শিশুর মৃত্যু
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় পাহাড়ধসে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের মছনিয়াকাটা এলাকার ডেবলতুলি গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলো বরইতলী ইউনিয়নের মছনিয়াকাটা গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে তৌসিফ উদ্দিন (১৩) এবং মোহাম্মদ কাজলের মেয়ে রুমি আক্তার (১৪)।
চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন দেলোয়ার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘পাহাড়ধসে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পরিবারটি পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস করছিল।’

লামায় একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত পাঁচ
এদিকে বান্দরবানের লামা উপজেলায় টানা ভারী বর্ষণের পর ভয়াবহ পাহাড়ধসে শিশুসহ একই পরিবারের তিনজনসহ পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। ৯ জুলাই বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নের মিশনপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

Shamol Bangla Ads

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ের ঢাল ধসে দুটি বসতঘরের ওপর মাটি পড়ে। এতে ঘরের ভেতরে থাকা বাসিন্দারা মাটিচাপা পড়েন। খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দা, জনপ্রতিনিধি ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান চালান।
আজিজনগর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোবারক হোসেন জানান, মিশনপাড়ার মো. ইউনুচের পরিবারের স্বামী-স্ত্রী এবং মো. জুয়েলের পরিবারের স্বামী-স্ত্রী ও তাঁদের এক শিশুসন্তান পাহাড়ধসে মারা গেছেন। ঘটনাস্থল থেকে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, টানা বর্ষণের কারণে এলাকার আরও কয়েকটি পাহাড় ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে সতর্ক করা হচ্ছে।

ঘটনার পর লামা উপজেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পাহাড়ধসের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ চলছে।

বান্দরবানে ১২০ আশ্রয়কেন্দ্র খোলা
অব্যাহত ভারী বর্ষণে বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধস ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকি বেড়েছে। সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্যার আশঙ্কায় জেলার সাতটি উপজেলায় ১২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাহাড়ের পাদদেশ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বান্দরবানের পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার জানান, পাহাড়ধসের ঘটনায় শিশুসহ পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এদিকে বান্দরবানে গত ২৪ ঘণ্টায় বুধবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ২১০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা অতি ভারী বৃষ্টিপাত হিসেবে বিবেচিত।

Need Ads
error: কপি হবে না!