টাঙ্গাইলের কালীহাতীতে যমুনা সেতুর পূর্ব প্রান্তের সংযোগ সড়কে ২৫ মে সোমবার ভোরে রডবাহী ট্রাক উল্টে নিহত ১৫ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। বিকেলে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

যমুনা সেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার ফুয়াদ রুহানী মরদেহ হস্তান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিহতদের স্বজনদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত না করে মরদেহ তাঁদেরকে দেওয়া হয়েছে।
নিহত ১৫ জনের মধ্যে ১০ জনই নওগাঁ জেলার। তাঁরা হচ্ছেন মান্দা উপজেলার রাজেন্দ্রবাটী গ্রামের ইয়াকুব (১৫), সাগর মিয়া (২০), রবিউল ইসলাম (২৫), বাদশা (২৮), তারেক (২০), আব্দুল বারিক (২০), একই উপজেলার পাকুরিয়া গ্রামের গিয়াসউদ্দিন (২২) ও মাইনুল (২৮), হোসেনপুর গ্রামের মঈনুল ইসলাম (৩৮), নিয়ামতপুর উপজেলার রামগা গ্রামের আলমগীর হোসেন (২৪), চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার সুন্দরপুর গ্রামের মামুন (৪০), শিবগঞ্জ উপজেলার চরপাকা গ্রামের নজরুল (৫৫), তানোর উপজেলার বাতাসপুর গ্রামের ইসমাইল হোসেন, নটোরের লারপুর উপজেলার নরেন্দ্রপুর গ্রামের আলম মোল্লা ও কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার বৈরাগীর চরের হাসান আলী (৩৯)।

নওগাঁর মান্দা উপজেলার ভাঁরশো ইউনিয়নের ১০ ব্যক্তি সাইকেলে করে দেশের বিভিন্ন জেলার গ্রামে গ্রামে ঘুরে প্লাস্টিকের পণ্যের বিনিময়ে চুল, ভাঙা মুঠোফোনসহ বিভিন্ন জিনিস কিনতেন। সর্বশেষ তাঁরা নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার উত্তর নাজিরপুর এলাকায় ফেরি করে পণ্য কেনাবেচার কাজ করছিলেন। পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে রডবোঝাই একটি ট্রাকে করে বাড়ি ফিরছিলেন। কিন্তু বাড়ি ফেরা হলো না তাঁদের। পথে ট্রাক উল্টে ওই ১০ ফেরিওয়ালাসহ ১৫ জনের মৃত্যু হয়।




