শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় বিরল প্রজাতির একটি লজ্জাবতী বানর উদ্ধারের পর অবমুক্ত করা হয়েছে। ৭ এপ্রিল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে গারো পাহাড়ে বানরটি অবমুক্ত করা হয়েছে। এর আগে রাত ৮টার দিকে উপজেলার ডেফলাই থেকে বানরটি উদ্ধার করা হয়।

বনবিভাগ সূত্রে জানা যায়, গারো পাহাড়ের ডেফলাই এলাকায় একটি লজ্জাবতী বানর দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে তারা প্রথমে প্রাণীটিকে ভালুক ছানা, পান্ডা ও বাঘের ছানা মনে করে আক্রমণের চেষ্টা করে। খবর পেয়ে বনবিভাগের লোকজন ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীদের সমন্বয়ে একটি দল ঘটনাস্থলে যান। পরে স্থানীয়দের প্রাণীটির পরিচয় তুলে ধরেন ও উদ্ধার করে নিয়ে যান।
উদ্ধার অভিযানে এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিম মধুটিলার মো. আরফান আলী, আব্দুর রাজ্জাক, রাব্বি মিয়া, স্বেচ্ছাসেবীদের মধ্যে শিক্ষক রমজান মিয়া, সজিব মিয়া, ‘হাতির খবর ও সচেতনতা’ গ্রুপের সদস্য রহমত আলী, রাঙটিয়া রেঞ্জের গজনী বিটের দায়িত্বরত জিয়াউর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

প্রাণী অধিকার কর্মী কাঞ্চন মিস্টার মারাক বলেন, বন অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় অঞ্চলের বন সংরক্ষক জহির উদ্দিন আকনের দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ নিয়ে লজ্জাবতী বানরটিকে উদ্ধার করা হয় ও পরে নিরাপদ স্থানে অবমুক্ত করা হয়।
এ বিষয়ে সেভ দ্যা ওয়াইল্ড লাইফ অ্যান্ড ন্যাচারের (সোয়ান) শেরপুরের আহ্বায়ক নাঈম ইসলাম বলেন, আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘ (আইইউসিএন) লজ্জাবতী বানরকে সংকটাপন্ন প্রাণী হিসেবে লাল তালিকাভুক্ত করেছে। লজ্জাবতী বানর দিনের বেলায় চোখে দেখতে পায় না। তাই মঙ্গলবার রাতে উদ্ধার হওয়া বানরটিকে গারো পাহাড়ে অবমুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।




