মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি : মাগুরার মহম্মদপুরসহ প্রত্যন্ত অঞ্চলে জেঁকে বসেছে শীত। দ্রুত নেমে যাচ্ছে তাপমাত্রা। বাড়ছে শীতজনিত নানা অসুখ-বিসুখ। এতে কাহিল হয়ে পড়েছে জনজীবন। বিশেষ করে দরিদ্র্য লোকজন শীতের কাপড় ও কাজের অভাবে অতি কষ্টে দিন যাপন করছেন।
জানা গেছে, পৌষের শেষে হাড়কাঁপানো শীতে কাহিল হয়ে পড়েছেন লোকজন। সন্ধ্যা নামতেই ঘন কুয়াশায় ঢেকে যাচ্ছে চারদিক। কুয়াশার কারণে সূর্যের দেখা মিলছে না। কুয়াশা ভেদ করে সড়কে যানবাহন চলাচলও হয়ে পড়েছে ঝুঁকিপূর্ণ। এ এলাকার অধিকাংশ মানুষ দরিদ্র্য। নদী ভাঙন কবলিত ভূমিহীন ও নিঃস্ব এসব মানুষ শীতে ভয়াবহ কষ্ট পাচ্ছেন। শীতে দিন মজুর লোকজন কাজ না পেয়ে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছেন। ফুটপাত মার্কেটের গরম কাপড়ের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে। এ এলাকার দরিদ্র্য লোকজনের মধ্যে বিতরণের জন্য এ পর্যন্ত সরকারি বরাদ্দ পাওয়া শীত বস্ত্র চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। এখন পর্যন্ত কোন বেসরকারি সংস্থা বা ব্যক্তি পর্যায়ে কেউ শীতার্তদের সাহায্যার্থে এগিযে আসেনি।
শীতের তীব্রতায় উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন হাসপাতালে কোল্ড ডাইরিয়া ও নিউমোনিয়া আক্রান্ত রোগির সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঠান্ডাজনিত রোগে শিশু ও বৃদ্ধরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। শীতজনিত অসুখে ইতোমেধ্য কয়েকজনের মৃতে্যুর খবর পাওয়া গেছে। শনিবার রাতে রায়পাশা গ্রামের রতন শেখ, শুক্রবার রাতে খালিয়া গ্রামের গোলেবর বিশ্বাস শতি জনিত রোগে মারা গেছেন।
উপজেলার রায়পুর গ্রামের বৃদ্ধ সালাম মিয়া (৭৫) জানান, শীতে আমরা খুব কষ্ট পাচ্ছি। শুনিছি যে সরকার গরিবদের জন্যি শীতির কাপুড় পাঠাইছে। কিন্তু আমাদের প্রর্যন্তু তা আসতিছেনা।
মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ কামরুল হাসান জানান, ইতোধ্যে সরকারি বরাদ্দের শীত বস্ত্র ৮ ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে দরিদ্র লোকজনের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। আরো শীত বস্ত্র বরাদ্দ চেয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।




