মোঃ আমিনুর ইসলাম,গাবতলী(বগুড়া) : দশম সসদ নির্বাচন বানচাল করার অপরাধে বগুড়ার-৭ নির্বাচনী এলাকা গাবতলীতে মামলার পাহার চলছে গন গ্রেফতার । পাশাপাশি চলছে আ’লীগ নেতাদের প্রতিশোধ ও অর্থনৈতিক বানিজ্য। গত কয়েকদিনে এ এলাকা থেকে শতাধিক সাধারন মনুষকে পুলিশ গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরন করেছে। গ্রেফতার এড়াতে পৌর সভাসহ উপজেলার সবকটি ইউনিয়নের গ্রাম থেকে পুরুষ মানুষ রাতে বাড়ীঘর ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। ৫ জানুয়ারী ২০১৪ তারিখে সংসদ নির্বাচন বগুড়ার গাবতলী বাসী প্রহসনের নির্বাচন আখ্যাদিয়ে এবং তারেক রহমানের ভিডিও বার্তা শুনে নির্বাচন বানচাল করে দেয় ১৮ দলের নেতাকর্মীরা। পরদিন ৬ জানুয়ারী বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ৩/৪ ধারা সরকারী কর্মচারীদের বাধা, জখম ও কাজে বাধাঁদানের অভিযোগ এনে মডেল থানার এসআই নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে ৫০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ২৫০/ ৩০০ জনের নামে মামলা করে। এদের মধ্যে থানা বিএনপির সাধারন সম্পাদক পৌর মেয়র মোরশেদ মিল্টন, সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক নতুন, বিএনপিনেতা পিন্টু, সাইফুল ইসলাম, খোকা, যুবদলনেতা হারুন, মিন্টু, আনিছার, ছাত্রদলনেতা আনোয়ার, চনচল, স্বেচ্ছা সেবক দলনেতা সাইদুল, থানা তরুনদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুল্লাহ হাবিব, জামায়াতনেতা নুরুজ্জামান, পৌর মৎস্য ঝীবি দলের সভাপতি ওমর ফারুক, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ফিরোজসহ ৫০ জন আসামী রয়েছে। এ ছাড়াও ব্যালেট পেপারে আগুন, ভাংচুর, হামলা ও ভয়ভীতির অভিযোগ এনে বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ঠ প্রিজাইডিং কর্মকর্তা বাদী হয়ে আজ্ঞাত আসামী করে আরো ২২ টি মামলা করেছে। রাত দিন গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রেখেছে যৌথ বাহিনি। গ্রেফতারে বাদ পড়ছেনা শ্রমিক, কর্মচারী, দোকান্দার, পথচারী, রিক্্রা চালকসহ সাধারন মানুষ। সামনে যাকে পাচ্ছে তাকেই গ্রেফতার করা হচ্ছে। সর্বত্রই এখন গ্রেফতার আতংকের জনপথে পরিনত হয়েছে গাবতলী এলাকা। জিয়ার জন্মভুমি বিএনপির দুর্গ হিসাবে পরিচিত এই এলাকায় তাই আইন শৃংখলা বাহিনি গ্রেফতারে একুটুবেশী উৎসাহী বলে সাধান মানুষ মন্তব্য করেছে। বাড়ীতে কোন পুরুস মানুষকে না পেয়ে তছনছ করাহচ্ছে বলেও আইন শৃংখলা বাহিনির অভিযান পরিচালনা কারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। ঘটছে ফাঁকা গুলির ঘটনা। ৯ জানুয়ারী প্রায় ৫০ জনকে গ্রেফতার করা হলেও ২০ জনকে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে। অন্যদের কি কারনে ছাড়া হয়েছে সে ব্যপারে আইন শৃংখলা বাহিনির কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি। গাবতলী পশ্চিম পাড়ায় যৌথ বাহিনি থানা ১৮ দলের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সাইফুল ইসলাকে গ্রেফতার করতে গিয়ে না পেয়ে উত্তেজিত গ্রাম বাসীকে নিঃবৃত্ত করতে ফাঁকা গুলি করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে আইন শৃংখলা বাহিনি গুলির বিষয়টি নিশ্চত করেনি। গ্রেফতারে আতংক হয়ে গাবতলী স্থানীয় ব্যবসায়ীরা মডেল থানার ওসির সাথে দেখা করেছে। ব্যবসায়ীদেরকে তাদের মালিক ও কর্মচারীদের নামের তালিকা দেয়ার জন্য বলা হয়েছে। যদি কেহ ধরা পড়ে ঐ তালিকানুযায়ী তাকে ছাড় দেয়া হবে। একথাটি ব্যবসায়ীরা নিশ্চিত করেছে। আগামী ১৬ জানুয়ারী গাবতলীতে স্থগিত ৪৬ টি কেন্দ্রে আবারো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সে কারনে হয়তো ১৮ দলনেতাসহ গ্রেফতার অব্যাহত রয়েছে। মামলায় প্রায় ৩০ হাজার বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মী আসামী করা হয়েছে। বাড়ীঘর ছেড়ে নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারন মানুষ গ্রেফতার এড়াতে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। গ্রেফতার হওয়া আসামীদের আত্মীয় স্বজনরা ১০ জানুয়ারী শুক্রবার থানায় এসে আহাজারী করতে দেখাযায়। এবং সারাদিন থানার চর্তুপাশ্বে অবস্থান করে। কখন তাদের প্রিয় মানুষকে থানা হাজত থেকে বেরকরে গাড়ীতে উঠাবে। এ দৃশ্য সকলের হৃদয় মনকে আহত করেছে।




