রাজীবপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামের রৌমারী থেকে ওমর ফারুক (২৮) নামের এক ওষুধ কোম্পানির রিপ্রেজেন্টেটিভের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ৯ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার সকালে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহতের বাড়ি রাজীবপুর উপজেলার দিয়ারার চর মুন্সিপাড়া গ্রামে। তার বাবার নাম ছলিম উদ্দিন বলে জানা গেছে।

জানা যায়, রাজীবপুরে মোহনগঞ্জ ইউনিয়নের দিয়ারচর মুন্সী পাড়া গ্রামের ওমর ফারুক গত সোমবার (৬ জানুয়ারি) প্রতিদিনের মতো মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় এবং আর তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। ঘটনার চার দিন পর আজ বৃহষ্পতিবার সকাল ১০টার দিকে পুলিশ ওই সেপটিক ট্যাংক থেকে লাশ উদ্ধার করে। এ হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত পিতা আব্দুল লতিফ ও পুত্র আব্দুল কাইয়ুমকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। রৌমারী উপজেলার বাঘমারা গ্রামের পল্লী চিকিৎসক আব্দুল লতিফ এর বাড়িতে ওই নির্মম ঘটনাটি ঘটেছে।
নিহত ওমর ফারুক অনেক দিন থেকে ইউনানি সিনা ল্যাবরেটরিজ নামের একটি ওষুধ কম্পানিতে চাকরি করত। ওই কম্পানির ওষুধ রৌমারী ও রাজীবপুরে বিক্রি করত।
পুলিশ ও গ্রামবাসী সূত্রে জানা গেছে, রৌমারী উপজেলার বাঘমারা গ্রামের পল্লী চিকিৎসক ও ওষুধ বিক্রেতা আব্দুল লতিফ নিহতের কাছ থেকে প্রায় ১৫ হাজার টাকার বাকিতে ওষুধ কেনেন। কিন্তু টাকা না দিয়ে প্রতিদিন টালবাহানা শুরু করে।
ঘটনার দিনও ওমর ফারুক টাকার জন্য আব্দুল লতিফের বাড়িতে যায়। এ সময় তাদের মাঝে বাগবিতা হয়। তার আব্দুল লতিফ ও তার পুত্ররা ওমর ফারুককে নির্মমভাবে হত্যা করে লাশ সেপটিক ট্যাংক এর ভিতর ফেলে রাখে।
রৌমারী থানার ওসি মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘আমরা গোপন সূত্রে খবর পাই ওই বাড়িতেই হত্যাকান্ড ঘটেছে। পরে ওই বাড়ির পিতা-পুত্রকে থানায় ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করে। এবং লাশের তথ্যও দেয় তারা। তাদের কথা মতো সেপটিক ট্যাংক থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়।’




