ক্রীড়াঙ্গনে বাজেট বাড়ছে। ২ জুন সোমবার বিকেলে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পরিচালনা ও উন্নয়ন ব্যয় মিলিয়ে মোট ২৪২৩ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করেছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

জানা যায়, মোট বাজেটের ১৪৪০ কোটি ৩৭ লাখ উন্নয়ন খাতে এবং বাকি ৯৮২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা পরিচালনা খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে। এতে এবারের প্রস্তাবিত বাজেট গত বছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় ৮৪২ কোটি ২১ লাখ ৬৩ হাজার টাকা বেশি। গত অর্থ বছর মোট সংশোধিত বাজেটের পরিমাণ ছিল ১৫৮০ কোটি ৭৮ লাখ ৩৭ হাজার টাকা।
২০২৫-২৬ অর্থ বছরে যে সমস্ত প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য উপজেলা পর্যায়ে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ (২য় পর্ব) প্রকল্প, নড়াইল বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ স্টেডিয়াম ও টেবিল টেনিস ভবনের অধিকতর উন্নয়ন এবং ইনডোর স্টেডিয়াম ও ভলিবল স্টেডিয়াম নির্মাণ প্রকল্প, বিকেএসপির প্রশিক্ষণ সুবিধাদির আধুনিকায়ন এবং ভৌত অবকাঠামোর সুবিধাদির উন্নয়ন প্রকল্প, দারিদ্র বিমোচনের লক্ষ্যে ব্যাপক প্রযুক্তি নির্ভর সমন্বিত সম্পদ ব্যবস্থাপনা (৩য় পর্যায়) প্রকল্প, টেকনোলজি এমপাওয়ারমেন্ট সেন্টার অন হুইলস ফর আন্ডার প্রিভিলেজড রুরাল ইয়ং পিপলস অব বাংলাদেশ (২য় পর্যায়) ও ফিজিবিলিটি স্টাডি ফল নিউ প্রজেক্টস অব ডিওয়াইবি।

তার সঙ্গে ৬৪টি জেলায় তথ্য প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্প, দেশের ৪৮টি জেলায় কর্মপ্রত্যাশী যুবকদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন কেন্দ্র, সাভার, ঢাকার প্রশিক্ষণ সুবিধাদি সম্প্রসারণ ও আধুনিকীকরণ, ‘লিভিং নো ওয়ান বিহাইন্ড : ইম্প্রুভিং স্কিলস এন্ড ইকনোমিক অপরচুনিটিস ফর উইমেন এন্ড ইয়ুথ ইন কক্সবাজার’, বাংলাদেশ প্রকল্প, ইকোনোমিক এ্যাকসিলারেশন এন্ড রিজিলিয়েন্স ফর নিট, লাইফ স্কিলড এডুকেশন ইন ইয়ুথ ট্রেনিং সেন্টার অব ন্যাশনাল ইয়ুল প্ল্যাটফর্ম প্রকল্প।
এছাড়া অন্যান্য প্রকল্পের মধ্যে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা আয়োজন ও জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার প্রদান, ক্রীড়াক্ষেত্রে প্রতিভা অন্বেষণ, গ্রামাঞ্চলে ক্রীড়া পরিবেশ ও দক্ষ ক্রীড়াবিদ তৈরি, বিভিন্ন ক্রীড়া সংস্থাকে অনুদান প্রদান ও অসচ্ছল ক্রীড়াবিদদের কল্যাণ অনুদান প্রদান ও ক্রীড়া স্থাপনা নির্মাণ, উন্নয়ন এবং রক্ষণাবেক্ষণ প্রকল্প উল্লেখ্যযোগ্য।




