ads

রবিবার , ৪ জানুয়ারি ২০২৬ | ১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

পুলিশ ও মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র কারওয়ান বাজার

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
জানুয়ারি ৪, ২০২৬ ৩:১৫ অপরাহ্ণ

পুলিশের সঙ্গে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের দফায় দফায় সংঘর্ষে রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। এনইআর বাস্তবায়নের প্রতিবাদসহ কয়েক দফা দাবিতে সকাল থেকে শুরু হওয়া কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

Shamol Bangla Ads

৪ জানুয়ারি রবিবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা গেছে, আন্দোলনকারীদের সড়ক থেকে সরিয়ে দিতে পুলিশ সামনে এগোলে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ছোড়া হয় ইটপাটকেল। এতে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বন্ধ হয়ে যায় আশপাশের দোকানপাট, ব্যাহত হয় যানচলাচল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ পাল্টা সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। পরে আন্দোলনকারীরা পিছু হটে বাংলামোটরের দিকের সড়কে অবস্থান নেন এবং সড়কে আগুন জ্বালিয়ে প্রতিরোধ সৃষ্টি করেন।

এর আগে, কারওয়ান বাজার মোড় অবরোধ করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের লাঠিপেটা করে সড়ক থেকে সরিয়ে দেয় পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জলকামান, রায়টকার ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়।

Shamol Bangla Ads

জানা গেছে, ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) ব্যবস্থা চালুর প্রতিবাদ, বিটিআরসি ভবনে হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মুক্তিসহ কয়েক দফা দাবিতে রোববার পরিবারসহ অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দেয় মোবাইল ব্যবসায়ীদের সংগঠন মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি)। একইসঙ্গে অনির্দিষ্টকালের জন্য সারা দেশের সব মোবাইল ফোনের দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণাও দেয় সংগঠনটি।

ঘোষণা অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কারওয়ান বাজারে সার্ক ফোয়ারা মোড় অবরোধ করে ‘অবস্থান কর্মসূচি’ শুরু করেন মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা। তারা সড়কে বসে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। এতে বসুন্ধরা থেকে কারওয়ান বাজার পর্যন্ত যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ প্রথম দফায় লাঠিপেটা করে ব্যবসায়ীদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেয়। এতে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়েন।

এরপর দুপুর ১২টার দিকে ব্যবসায়ীদের একটি অংশ আবার সড়কে এসে বসে পড়েন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ জলকামান ব্যবহার করে। পরে ফের লাঠিপেটা ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়। এ সময় কয়েকজনকে আটক করে পুলিশ। পরে ব্যবসায়ীদের আশপাশের শপিংমলের ভেতরে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়।

প্রসঙ্গত, দেশের মোবাইল ফোন বাজারে অবৈধ ও আনঅফিশিয়াল হ্যান্ডসেট ব্যবহারে কার্যকর লাগাম টানতে সরকারের পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ১ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে দ্য ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর)। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত সব ফোনের আইএমইআই নম্বর যুক্ত হচ্ছে জাতীয় ডাটাবেজে। বিষয়টি নিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছিলেন ব্যবসায়ীরা।

Need Ads
error: কপি হবে না!